এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ায় রান্নাঘরের খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। সমকালের জীবনযাপন পাতায় প্রকাশিত একটি লেখায় বলা হয়েছে, কয়েকটি সহজ অভ্যাস মানলে যে সিলিন্ডারে হয়তো ২০ দিন চলত, তা দিয়ে ২৫ দিন চালানো যেতে পারে।
প্রথম কৌশল পাত্র ঢেকে রান্না। ঢাকনা দিলে ভেতরের তাপ বেরিয়ে যায় না, খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়। পানি ফোটানো থেকে ভাত-তরকারি, সম্ভব হলে সব রান্নাতেই ঢাকনা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়টি পাত্রের মাপে আঁচ: শিখা যেন পাত্রের তলার ভেতরেই থাকে, চারপাশ দিয়ে বেরিয়ে না যায়। মাপমতো বার্নার ও আঁচে তাপ সরাসরি পাত্রে পৌঁছায়।
তৃতীয়ত, বার্নার পরিষ্কার রাখা। ছিদ্রে তেল, মসলা বা খাবারের কণা জমলে আগুন ঠিকমতো বেরোয় না, খরচ বাড়ে। আগুনের রং বা ধরন অনেক দিন অস্বাভাবিক থাকলে বার্নার পরীক্ষা করানো ভালো। চতুর্থত, সব রান্নায় বেশি আঁচ নয়। ডাল বা সবজির মতো পদে মাঝারি বা কম আঁচই যথেষ্ট; বেশি আঁচ কেবল প্রয়োজনের সময়।
পঞ্চম কৌশল একসঙ্গে রান্না। দিনে বারবার রান্না বা গরম করার বদলে একবারে কিছুটা বেশি রেঁধে রাখলে বারবার চুলা জ্বালাতে হয় না। ষষ্ঠত, রান্না প্রায় শেষ হলে আগেই আঁচ বন্ধ করে পাত্র ঢেকে রাখা; ভাত বা ধীরে রান্না হওয়া পদ অবশিষ্ট তাপেই হয়ে যায়। তবে খাবার পুরোপুরি ও নিরাপদে রান্না হয়েছে কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে।
সপ্তম পরামর্শ লিকেজকে অবহেলা না করা। সিলিন্ডার অস্বাভাবিক দ্রুত ফুরোলে শুধু রান্নার অভ্যাস দায়ী নয়; পাইপ, রেগুলেটর বা সংযোগে লিকেজ থাকতে পারে। ফাটল বা সংযোগে সমস্যা দেখলে প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান ডাকতে হবে, আর গ্যাসের গন্ধ পেলে আগুন, দেশলাই ও বৈদ্যুতিক সুইচ থেকে দূরে থাকতে হবে।
প্রতিবেদনটি সমকালে প্রকাশিত লেখা অবলম্বনে; সমকাল লেখাটির সূত্র হিসেবে এই সময়ের নাম দিয়েছে।
ছবি: Yuksing / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)