প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতি নিয়ে মার্কিন কৃষকেরা যখন সাহায্য চান, তখন ভূমিক্ষয় ও পানির মানের ক্ষেত্রে তাঁরা যত সহজে সহায়তা পান, অন্য কোনো সমস্যায় তা পান না—দেখিয়েছে ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস।
সংস্থাটি শুরু করে যাকে বলে ‘রিসোর্স কনসার্ন’ বা সম্পদ-উদ্বেগ, তা থেকে: ব্যবস্থাপনার ধরন যখন খামারের নির্ভরযোগ্য কোনো সম্পদকে—সবার আগে মাটিকে—এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত করে যে জমির টেকসই উৎপাদনক্ষমতা ব্যাহত হয়। এমন অবস্থায় একজন উৎপাদক লক্ষ্যভিত্তিক কারিগরি সহায়তা চাইতে পারেন, অর্থাৎ সমস্যাটি কাটিয়ে ওঠার ব্যক্তিগত পরামর্শ।
সহায়তা চেয়েছেন এমন উৎপাদকদের জরিপ-তথ্য বিশ্লেষণ করে ইআরএস গবেষক অ্যান্ড্রু বি. রোজেনবার্গ ও কেট বিনজেন ফুলার দেখেছেন, সবচেয়ে বেশি সহায়তা গেছে পানির টানে হওয়া ভূমিক্ষয়ে। এই সমস্যায় ভোগা ভুট্টা, সয়াবিন, তুলা ও গমের জমির ৩৬ শতাংশ কারিগরি সহায়তা পেয়েছে।
এরপরে রয়েছে জমির পানির মান, আক্রান্ত জমির ৩৩ শতাংশ; এবং বাতাসে হওয়া ভূমিক্ষয়, ২২ শতাংশ।
এই পরামর্শের বেশির ভাগই আসে একটি জায়গা থেকে। জমিভিত্তিক সম্পদ-উদ্বেগে সবচেয়ে বেশি সহায়তা দেয় ইউএসডিএর ন্যাচারাল রিসোর্সেস কনজারভেশন সার্ভিস (এনআরসিএস)—সরাসরি, কিংবা এনআরসিএসের অর্থে চলা তৃতীয় পক্ষের কারিগরি সেবাদাতাদের মাধ্যমে। বাকিটা আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণকর্মী, অঙ্গরাজ্য সংস্থা ও অন্যান্য উৎস থেকে।
অসমতাই এখানে মূল পর্যবেক্ষণ। দুটি সমস্যা মোট সহায়তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ টেনে নিচ্ছে, অন্যগুলো পাচ্ছে অনেক কম—যা সংরক্ষণ কর্মসূচির পরিকল্পনাকারীকে বলে দেয়, পরামর্শ কোথায় মাঠে পৌঁছাচ্ছে আর কোথায় পৌঁছাচ্ছে না।
ইআরএসের ‘স্ট্যাটাস অ্যান্ড ট্রেন্ডস অব ইউএসডিএ কনজারভেশন প্রোগ্রামস, ২০০২–২০২৫’ প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করা পাঁচটি প্রবণতার একটি এই সম্পদ-উদ্বেগ; প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের মার্চে।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)