জাতীয় জলবায়ু নীতি ও পরিকল্পনাকে সমন্বিত কর্মসূচি, মানসম্মত প্রকল্প, উপযুক্ত অর্থায়ন এবং পরিমাপযোগ্য ফলাফলে রূপ দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, আজকের উন্নয়ন সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক দশকের জলবায়ু ঝুঁকি নির্ধারণ করবে, তাই প্রতিটি বড় বিনিয়োগে সংশ্লিষ্ট এলাকার জলবায়ু পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (বিসিডিপি) নলেজ কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহযোগিতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। দেশি-বিদেশি পাঁচ শতাধিক জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২৩-২০৫০’ বাস্তবায়ন এবং জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি ৩ দশমিক শূন্যের কৌশলগত বিনিয়োগ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা।
কৃষির জন্য সবচেয়ে সরাসরি কথাটি এসেছে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ফসল উৎপাদন হ্রাস এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কথা তুলে ধরেন।
সাইমুম পারভেজ বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজনের অভিজ্ঞতা সাহস, উদ্ভাবন ও মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের গল্প।
প্রথম দিনের আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে জলবায়ু সহনশীলতা ও নিম্ন-কার্বন প্রবৃদ্ধি, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা এবং এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়ন। দ্বিতীয় দিন ৮ অক্টোবর আলোচনা হবে জ্বালানি রূপান্তর, কম কার্বন নিঃসরণকারী পরিবহন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি এবং বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প প্রস্তুতি নিয়ে।
সম্মেলনে জলবায়ু প্রকল্পের রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ডিজিটাল পোর্টালের কথাও বলা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি ও বিনিয়োগের সুযোগ এক জায়গায় দেখা যাবে।
সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন


মন্তব্য
(০)