সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বৃষ্টির ফোঁটায় বাড়ে কাঁচামরিচের ঝাঁজ, দাম ছাড়ায় ২০০ টাকা

চলতি মাসে যখনই আবহাওয়া খারাপ হয়েছে, তখনই বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। বিশেষ করে কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলে প্রতি কেজি মরিচের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। আবার বৃষ্টি কমলে দামও কমে।

শাকসবজি

চলতি মাসে যখনই আবহাওয়া খারাপ হয়েছে, তখনই বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। বিশেষ করে কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলে প্রতি কেজি মরিচের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। আবার বৃষ্টি কমলে দামও কমে।

যেমন, টানা বৃষ্টির পর গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রতি কেজি কাঁচামরিচের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে থাকায় দাম কমে ১২০ টাকায় নেমে আসে। তবে এখন আবারও বৃষ্টির কারণে বেড়েছে মরিচের দাম। রাজধানীর কোনো কোনো ছোট বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২৮০ টাকা দামেও বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আড়তে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচামরিচের পাইকারি ব্যবসা করেন বাছেদ মোল্লা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে তিনি প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি করেন।

জাগো নিউজকে তিনি বলেন, 'দুদিন ধরে গ্রামগঞ্জে বৃষ্টি হচ্ছে, তাই বাজারও খারাপ। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার এক দফা দাম বেড়েছিল। এরপর কিছুটা কমে এখন আবারও বাড়ছে। কাঁচামরিচ দ্রুত পচনশীল পণ্য। বৃষ্টির সঙ্গে এর দামও ওঠানামা করে। প্রতিদিনই বাজারে কমবেশি হয়।'

বাছেদ মোল্লা বলেন, 'কাঁচামরিচ দ্রুত পচনশীল পণ্য। ক্ষেতে কয়েকদিন বৃষ্টির পানি জমে থাকলেই মরিচ নষ্ট হয়ে যায়। এতে বাজারে সরবরাহ কমে যায়, ফলে দাম বেড়ে যায়।'

এদিকে, ঢাকার খুচরা বাজারে এখন প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২০০ টাকার নিচে মিলছে না। সেগুনবাগিচা বাজারে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সেগুনবাগিচা বাজারের বিক্রেতা মুয়াজ্জিম বলেন, 'দুদিন আগেও প্রতি পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচামরিচ ৪০ টাকায় বিক্রি করেছি। সপ্তাহখানেক আগেও একবার দাম বেড়েছিল। তখন টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সবজির সরবরাহ কমে গিয়েছিল। এতে অন্যান্য সবজির পাশাপাশি কাঁচামরিচের দামও এক দফা বেড়ে যায়। পরে দাম কিছুটা কমলেও এখন আবার বৃষ্টি বাড়ায় মরিচের দাম বেড়েছে।'

এদিকে, বৃষ্টি ও বন্যায় দেশের বিভিন্ন এলাকার সবজিক্ষেতে পানি জমে অনেক সবজি নষ্ট হয়েছে। ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এরই মধ্যে দেশজুড়ে আবারও টানা পাঁচদিনের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিও হচ্ছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টির প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কারণে কয়েক দিন ধরে বাড়ছে সবজির দামও। প্রতি কেজি সবজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।

বাজার ঘুরে জানা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন মান ও প্রকারভেদে তা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙা, চিচিঙ্গা ও ধুন্দলের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে।

এছাড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরের করলা এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরের বরবটির দাম বেড়ে ১০০ টাকা হয়েছে। তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যে পেঁপে, ঢ্যাঁড়স ও পটোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, কিছুদিন ধরে স্থিতিশীল থাকা ফার্মের মুরগির ডিমের দামও এখন বেশ চড়া। ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হওয়া ফার্মের ডিম এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যখন বাজারে সবজির দাম চড়া থাকে তখন ভোক্তারা ডিমের ওপর নির্ভর করে। এ কারণে চাহিদা বেড়ে যায়। চাহিদা বাড়লে দামও বাড়ে।

এনএইচ/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()