সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

বরিশালে সরবরাহ কম থাকায় চড়া ইলিশের দাম

বরিশালে ভরা মৌসুমেও নদী ও সাগরের দেখা মিলছে না পর্যাপ্ত ইলিশের। যে মাছ আসছে তা অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না ক্রেতারা। আগে এমণ সময় হাজার মণ ইলিশ আসলেও বর্তমানে ১৫০-২০০ মণ ইলিশ আসছে মোকামগুলোতে। আর ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে ইলিশের দামও কমবে বলে জানান আড়তদাররা

মৎস্য

বরিশালে ভরা মৌসুমেও নদী ও সাগরের দেখা মিলছে না পর্যাপ্ত ইলিশের। যে মাছ আসছে তা অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না ক্রেতারা। আগে এমণ সময় হাজার মণ ইলিশ আসলেও বর্তমানে ১৫০-২০০ মণ ইলিশ আসছে মোকামগুলোতে। আর ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে ইলিশের দামও কমবে বলে জানান আড়তদাররা।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বরিশালের সবচেয়ে বড় পাইকারি ইলিশের মোকাম পোর্টরোড মৎস অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, দেড় কেজি সাইজের ইলিশ ১৯০০, ১২০০ গ্ৰাম সাইজের ১৭৫০, কেজি সাইজের ১৬৫০, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্ৰাম সাইজের ১৪৫০, ৫০০ গ্ৰাম সাইজের ১২০০ ও ৩ পিসে এক কেজি সাইজের ইলিশ ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন গত বছরও এর অর্ধেক দামে ইলিশ বিক্রি হয়েছে। এবার ইলিশ রপ্তানি বন্ধ রয়েছে এরপরও চড়া দামের একমাত্র কারণ অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট।

পোর্টরোড বাজারে ইলিশ কিনতে আসা বেসরকারি চাকিরিজীবী সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালে বাজারে যাওয়ার সময় ছেলে মেয়ে বায়না ধরেছে ইলিশ নিয়ে যাওয়ার। তবে বাজার ঘুরে সাধ্যের মধ্যে একটি ইলিশও মিলাতে পারিনি। পরে নিরূপায় হয়ে ৯০০ গ্ৰাম ওজনের একটি ইলিশ ১৫০০ টাকায় কিনেছি।'

শুধু সাইফুল ইসলামই নন এমন চিত্র এখন প্রতিটি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারে। ইলিশের উচ্চ দামে হতাশা প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। অবস্থা এমন যে অতিরিক্ত দামের কারণে ইলিশের স্বাদ ভুলতে বসেছে এক শ্রেণীর মানুষ।

আরেক ক্রেতা সোহাগ জমাদ্দার বলেন, এলাকার বাজার থেকে মাছ না কিনে পোর্টরোড পাইকারি বাজারে এসেছিলাম কম দামে কেনার আশায়। কিন্তু এখানেও দেখি খুচরা বাজারের মতো চড়া দাম। এরপরও ছোট ছোট ৫০০ গ্রাম ওজনের ৪টা ইলিশ কিনেছি ২৫০০ টাকায়। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে মানুষ কিছু দিনের মধ্যে ইলিশের স্বাদ ভুলে যাবে।

সাব্বির আহমেদ নামে এক ক্রেতা বলেন, ইলিশ কিনতে এসে দরদামে পোষাতে না পেরে পাঙ্গাশ কিনতে হয়েছে। ৫০০ গ্ৰাম সাইজের ইলিশের কেজি ১২০০ টাকা হয়েছে। যা আগে ছিল ৫০০-৮০০ টাকা। পাঙ্গাশ মাছেরও দাম বেড়েছে। ২৮০ টাকা করে কেজি পাঙ্গাশ কিনেছি। যা আগে ছিল ১৫০-২০০ টাকার মধ্যে।

আরেক ক্রেতা মুরাদ হোসেন বলেন, মাছের সরবরাহ কম থাকার অজুহাতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধি করেছে। না হলে ইলিশ তো আর বিদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে না। নিজেদের নদ-নদী বা সাগরের মাছ। এতো দাম বৃদ্ধির কোনো কারণ দেখছি না।

আড়ৎ ঘুরে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই আশানুরূপ ইলিশ আসছে না। বিগত দিনে এমন সময়ে এক হাজার থেকে ১২০০ মণ ইলিশ আসতো। কিন্তু বেশকিছু দিন ধরেই ১৫০-২০০ মণ ইলিশ আসছে। তাই সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে।

পোর্টরোডের ইলিশ আড়ৎদার মেসার্স দুলাল ফিশের ম্যানেজার মো. রবিন বলেন, গত একমাস ধরেই গড়ে দেড় থেকে দুই আড়াইশ মণ ইলিশ নিয়ে ট্রলারগুলো পোর্টরোডের মোকামে আসছে। কিন্তু এমন সময় হাজার হাজার মণ ইলিশ আসার কথা। কয়েক বছর আগেও ভরা মৌসুমে পোর্টরোডের মোকামের আড়তে দিন শেষে দুই হাজার মণ ইলিশ বেচাকেনা হতো।

তিনি আরও বলেন, মৌসুম অনুযায়ী বাজারে ইলিশ কম আসছে। কিন্তু চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। ইলিশ কম থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। ক্রেতাদের চাহিদার কারণেই দাম কিছুটা বেড়েছে।

পোর্টরোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়ৎদার সমিতির সাবেক অর্থ সম্পাদক ইয়ার হোসেন শিকদার জানান, মোট ১৭০টি আড়তে ভরা মৌসুমে আগে প্রতিদিন এক হাজার থেকে ১২০০ মণ ইলিশ আসতো। সেখানে বর্তমানে ১৫০ থেকে ২০০ মণ পর্যন্ত আসছে। বিক্রি আগে কোটি কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেত। এখন হচ্ছে মাত্র ৪০-৫০ লাখ টাকার।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বর্ষা মৌসুম হলেও বরিশালের পোর্ট রোডে ইলিশের আমদানি খুবই কম। বলা যায়, যেখানে স্বাভাবিক সিজনে ৩০-৫০টি ট্রলার আসত, সেখানে এখন আসছে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ ট্রলার। যাতে সব মিলিয়ে আসছে ২০০ মণের মতো ইলিশ। এ কারণে দামও অনেকটা বেশি।

শাওন খান/এএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মাছ ও চিংড়ির খাবারের পোস্টবায়োটিক JUV-এর উৎপাদন বড় বায়োরিঅ্যাক্টরে নিল Knip

বোস্টনের স্টার্টআপ Knip তাদের ফার্মেন্টেশনে তৈরি পোস্টবায়োটিক মাছের খাবার উপাদান JUV-এর উৎপাদন ১০ হাজার টন সক্ষমতার এক চুক্তিভিত্তিক কারখানায় সরিয়েছে; এটি সয়া বা ফিশমিলের বিকল্প নয়, বরং কম মাত্রায় ব্যবহারে চাষের মাছ ও চিংড়িকে চাপ সামলে বাঁচিয়ে রাখার উপাদান।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
মৎস্য

চাঁদপুরে ইলিশের ডিমের বাণিজ্য, হুমকিতে প্রজনন

দেশের অন্যতম বড় ইলিশের বাজার চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছঘাট। ভরা মৌসুমেও এবার সেখানে ইলিশের সরবরাহ কম। ফলে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। সেই সাথে নতুন কারবার হিসাবে হিসেবে যুক্ত হয়েছে আলাদা করে ইলিশের ডিম বিক্রি। বিস্তারিত জানাছেন শাইখ সিরাজ।

শাইখ সিরাজ১১ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
মৎস্য

পশুবাহী গাড়িতে যাতে চাঁদাবাজি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সজাগ আছি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পশুহাট ও পশুবাহী গাড়িতে যাতে চাঁদাবাজি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাগো নিউজ ২৪৮ মে ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()