সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

বন্য সৌন্দর্যে ভরা এক অনন্য ভ্রমণ

আমার তানজানিয়া সফরের প্রথম গন্তব্য ছিল মনোমুগ্ধকর তারাঙ্গিরে জাতীয় উদ্যান। পার্কের প্রবেশমুখেই প্রকৃতি যেন এক অনন্য শুভেচ্ছা জানালো। চোখে পড়লো চমৎকার সব পাখি, বিশেষ করে রঙিন ফিশার পাখিরা মন ছুঁয়ে গেলো। এখানে পাখির উপস্থিতি এতই বৈচিত্র্যময় যে, মনে হলো যেন প্রকৃতির গানে ভেসে বেড়াচ্ছে পুরো পরিবেশ।

পরিবেশ

আমার তানজানিয়া সফরের প্রথম গন্তব্য ছিল মনোমুগ্ধকর তারাঙ্গিরে জাতীয় উদ্যান। পার্কের প্রবেশমুখেই প্রকৃতি যেন এক অনন্য শুভেচ্ছা জানালো। চোখে পড়লো চমৎকার সব পাখি, বিশেষ করে রঙিন ফিশার পাখিরা মন ছুঁয়ে গেলো। এখানে পাখির উপস্থিতি এতই বৈচিত্র্যময় যে, মনে হলো যেন প্রকৃতির গানে ভেসে বেড়াচ্ছে পুরো পরিবেশ।

এ পার্কের আসল বিস্ময় তখনই শুরু হলো; যখন সামনে পড়লো বিশাল এক হাতির পাল। বাচ্চা হাতি থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক পর্যন্ত, অসংখ্য হাতি একসাথে দেখতে পাওয়ার এ অভিজ্ঞতা আমার জীবনের প্রথম। প্রকৃতির কোলে এত কাছ থেকে হাতির জীবনযাপন দেখা, তাদের চলাফেরা, পরিবারের বন্ধন, সবই এক অবর্ণনীয় অনুভূতি।

এরপর একে একে চোখে পড়লো জিরাফ, জেব্রা এবং অসংখ্য ছোট-বড় বন্যপ্রাণী। যেগুলো এতদিন শুধু ডিসকভারি চ্যানেলে দেখে অভ্যস্ত ছিলাম। আর এখন, সেগুলো আমার সামনে জীবন্ত। এ অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে আজীবন মনে রাখার মতো।

জাতীয় উদ্যান সম্পর্কে কিছু তথ্যতারাঙ্গিরে জাতীয় উদ্যান তানজানিয়ার মানিয়ারা অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর নামকরণ হয়েছে পার্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তারাঙ্গিরে নদীর নামানুসারে। শুষ্ক মৌসুমে জুন থেকে নভেম্বর এ নদী অঞ্চলের প্রাণীদের একমাত্র পানির উৎস হয়ে ওঠে। ফলে এ সময়টাতে হাজার হাজার জেব্রা, ওয়াইল্ডবিস্ট, কেপ বাফেলো, হরিণ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণী এখানে জড়ো হয়। যা দেখতে প্রতিদিন শত শত পর্যটক ভিড় করেন।

পার্কটি প্রায় ২,৮৫০ বর্গ কিলোমিটার বা ১১০০ বর্গ মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এটি বৈচিত্র্যপূর্ণ ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত। গ্রানাইট পাথরের শিলাশিরা, নদী উপত্যকা, জলাভূমি এবং ঋতুভিত্তিক তৃণভূমির মাঝে ছড়িয়ে আছে বাওবাব, অ্যাকাশিয়া ও অ্যাডানসোনিয়া গাছের অসাধারণ সংমিশ্রণ।

প্রাণিজগৎ ও পাখির রাজ্যপার্কটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো হাতির বিশাল জনসংখ্যা এবং বাওবাব গাছের ঘনত্ব। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক এখানে আসেন শুধু এ মহাকায় প্রাণীগুলোকে দেখার জন্য। তাছাড়া এখানে দেখা মেলে জিরাফ, জেব্রা, ইম্পালা, এল্যান্ড, গ্রান্টস গাজেল, সিংহ, চিতাবাঘ, কারাকাল, আফ্রিকান বন্য কুকুর, জলপাই বেবুন, ভার্ভেট বানর, বানডেড, ডোয়ার্ফ মঙ্গুজ, ডিক, টপি, বেবুন, শকুন, উটপাখি ও ফিঞ্জ।

পার্কটি প্রায় ৫৫০টিরও বেশি পাখির প্রজাতির আবাসস্থল। তাই এটি পাখিপ্রেমীদের জন্য এক স্বর্গরাজ্য। ফ্ল্যামিঙ্গো থেকে শুরু করে রঙিন রোলার, হর্নবিল এবং হেরন পাখিরা প্রকৃতির ছন্দে নাচে। আরও একটি মজার তথ্য, ২০১৫ সালে এ পার্কে একটি সাদা জিরাফ দেখা গিয়েছিল। যার গায়ের রং ছিল সাদা। লিউসিজম নামক জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি হতে পারে।

যাতায়াত ও অবস্থানতারাঙ্গিরে জাতীয় উদ্যানটি আরুশা শহর থেকে মাত্র ২ ঘণ্টার দূরত্বে। এখান থেকে মানিয়ারা হ্রদ জাতীয় উদ্যান মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে। তাই একাধিক উদ্যান ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে এটি হতে পারে আপনার আদর্শ যাত্রার সূচনা বিন্দু।

তারাঙ্গিরে জাতীয় উদ্যান আমার তানজানিয়া ভ্রমণের এক অনন্য অধ্যায়। প্রকৃতির বুকে প্রাণীদের এত কাছ থেকে দেখা, নিঃসন্দেহে এক আলাদা জীবনবোধ জাগিয়ে তোলে। সামনে আরও কিছু ন্যাশনাল পার্কে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। তবে এ পার্কের অভিজ্ঞতা সারাজীবন মনে গেঁথে থাকবে।

আপনারা যদি প্রকৃতি ভালোবাসেন, বন্যপ্রাণী দেখতে চান কিংবা সত্যিকারের সাফারি অভিজ্ঞতা নিতে চান, তারাঙ্গিরে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()