সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ক্যানসার আক্রান্ত জিরাফের মৃত্যু

গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে একটি জিরাফের মৃত্যু হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর জিরাফটির মৃত্যু হলেও শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি প্রকাশ পায়। জিরাফটির মৃত্যুতে এখন এই পার্কে টিকে রয়েছে মাত্র দুটি জিরাফ। যার দুটিই মাদী (স্ত্রী) জিরাফ।

বাংলাদেশ

গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে একটি জিরাফের মৃত্যু হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর জিরাফটির মৃত্যু হলেও শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি প্রকাশ পায়। জিরাফটির মৃত্যুতে এখন এই পার্কে টিকে রয়েছে মাত্র দুটি জিরাফ। যার দুটিই মাদী (স্ত্রী) জিরাফ।

ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাগো নিউজকে জানান, মারা যাওয়ার পর জিরাফের ময়নাতদন্ত করেছে ৬ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড। ওই বোর্ডের অধীনে অসুস্থ হওয়ার পর থেকে জিরাফটির চিকিৎসা চলছিল। মারা যাওয়া জিরাফের দেহ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাফারি পার্কের ভেতরে নির্দিষ্ট এলাকায় মাটিচাপা দেওয়া হয়। এ মৃত্যুর বিষয়ে শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পার্ক কর্তৃপক্ষ।

মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাফারি পার্কে থাকা তিনটি জিরাফই ছিল মাদী। কোনো পুরুষ জিরাফ না থাকায় তাদের মধ্যে মেটিং (প্রজনন) হচ্ছিল না। পরিণত এবং ম্যাটিং ব্যর্থ এ জিরাফের জরায়ুতে পচন সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে ক্যানসারে রূপ নেয়। বিকল্প মেটিংয়ের জন্য ঢাকা চিড়িয়াখানায় যে জিরাফ রয়েছে সেটিও টিবি রোগে আক্রান্ত, যে কারণে সেটি দিয়েও পার্কে জিরাফ প্রজনন করা ঠিক হবে না। এটি খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে। নতুন পুরুষ জিরাফ কেনা ছাড়া সাফারি পার্কে জিরাফ প্রজনন করা সম্ভব নয়। কিন্তু বর্তমানে জিরাফ কেনার বাজেট না থাকায় তা-ও সম্ভব হচ্ছে না। নতুন করে বাজেট দিয়ে এটি কিনতে হবে।

শারমিন আক্তার জানান, মারা যাওয়া জিরাফটিও মাদী। এটি ২০২১ সাল থেকে অসুস্থ ছিল। ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে এর জরায়ুতে পচন ধরে। পরে তা শরীরের পেছনের অংশে ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ অবস্থায় এটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। নিরাপত্তার জন্য আক্রান্ত জিরাফটিকে আলাদা জায়গায় রাখা হয়।

পার্ক সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৩ সালে পার্কটি প্রতিষ্ঠাকালে দুই দফায় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মোট ১০টি জিরাফ আনা হয়। আন্তর্জাতিক প্রাণী বিপণন প্রতিষ্ঠান ফ্যালকন ট্রেডার্সের মাধ্যমে এগুলো আমদানি করে পার্ক কর্তৃপক্ষ। ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আরও ৪টি জিরাফ বাচ্চা দেয়। অন্যদিকে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রোগাক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েকটি জিরাফ মারা যায়। সর্বশেষ পার্কটিতে মাত্র ৩টি স্ত্রী জিরাফ টিকে ছিল।

এ বিষয়ে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থেকে জিরাফটির মৃত্যু হয়েছে। যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বোর্ড ময়নাতদন্ত করেছে। মৃত জিরাফটির শরীরের বিভিন্ন অংশের নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন করে পার্কে আরও প্রাণী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো পাস হলে পার্ক আরও সমৃদ্ধ হবে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, সাফারি পার্কে প্রাণী মৃত্যুর বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

মো. আমিনুল ইসলাম/এমকেআর

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

বাংলাদেশ

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
ফসল

কৃষি নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের ১৮০ দিন

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি কৃষি। অথচ ন্যায্যমূল্য, মানসম্মত সার-কীটনাশক, সেচ, কৃষিঋণ ও শস্যবীমা পেতে কৃষক দীর্ঘদিন অবহেলিত। কৃষকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।

শাইখ সিরাজ২২ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()