সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

বনে খাবারের অভাব, দলবেঁধে লোকালয়ে ছুটছে বানর

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের বানরদের জীবন এখন চরম সংকটে। খাবারের সন্ধানে দলবেঁধে তারা বনাঞ্চল ছেড়ে লোকালয়ে আসছে। খাবারের জন্য বানরদের এই হাহাকার যেন ‌'অরণ্যের নীরব আর্তনাদ'। দর্শনার্থীরা যা দিচ্ছে, তাই খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছে বনে থাকা প্রায় চার শতাধিক বানর।

পরিবেশ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের বানরদের জীবন এখন চরম সংকটে। খাবারের সন্ধানে দলবেঁধে তারা বনাঞ্চল ছেড়ে লোকালয়ে আসছে। খাবারের জন্য বানরদের এই হাহাকার যেন ‌'অরণ্যের নীরব আর্তনাদ'। দর্শনার্থীরা যা দিচ্ছে, তাই খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছে বনে থাকা প্রায় চার শতাধিক বানর।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বনে খাবার খুঁজে না পেয়ে বানররা মাঝেমাঝেই আশপাশের ফসলি জমিতে প্রবেশ করে পেঁপে, কলাসহ বিভিন্ন ফল ও সবজি খেয়ে ফেলে। এতে কৃষকদের ক্ষণস্থায়ী ক্ষতি হলেও বারবার এই ঘটনা ঘটায় তাদের ফসলের নিরাপত্তায় উদ্বেগ বাড়ছে। খাদ্যের জন্য মাঝেমধ্যে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে বানর। ফলে এলাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও পথচারীরা বানরের ওপর মাঝেমধ্যে হামলার ঘটনাও ঘটাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এই শালবনে হরিণ, ভালুক, মেছোবাঘ, বাঘডাস, হনুমান, শিয়াল, সজারো, খরগোশ ও বানরসহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ ছিল। ধীরে ধীরে বনদস্যুরা অবাধে অসংখ্য গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ায় বানর ছাড়া হারিয়ে যায় অন্যসব বন্যপ্রাণী। প্রাকৃতিক বনায়ন ধ্বংস করা হয়েছে বহু বছর আগেই। বনাঞ্চলের ভেতরে ফলদ গাছ নেই বললেই চলে। বনের দক্ষিণে কিছু ফলদ গাছ থাকলেও ফল নেই। ফলে দর্শনার্থীদের দেখলেই বনে থাকা বানরগুলো কাছে আসে। দর্শনার্থীদের দেওয়া কলা, মুড়ি, বাদাম, চানাচুর, বিস্কুট ও রুটি খেয়ে বেচে আছে বনে থাকা চার শতাধিক বানর।

স্বপন আহমেদ নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা জাগো নিউজকে বলেন, কয়েক মাস ধরে পর্যটক ও দর্শনার্থীর আগমন অনেক কম। তারা আগে বনাঞ্চলে গিয়ে খাবার দিত; কিন্তু এখন দর্শনার্থীদের উপস্থিতি কম থাকায় বানররা খাবারের বিকল্প উৎস খোঁজার জন্য আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। বনে ফল না থাকায় বানরগুলো খাদ্যের অভাবে হাহাকার করছে। বানর রক্ষায় সরকারিভাবে তদারকি বাড়ানো না হলে বানরগুলোও একসময় বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনখাদ্যের সন্ধানে শহরে হাজারও বানরলোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে বানরমোংলায় পর্যটক দেখলেই দলবেঁধে ছুটে আসছে বানরঅযত্নে ভুগছে গাজীপুর সাফারি পার্ক, ধুঁকছে প্রাণী

বন এলাকার ভ্রাম্যমাণ দোকানদার মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, ভোর হলেই বানররা বনাঞ্চল থেকে বাহিরে চলে আসে, খাবার না পেলে ছিঁড়ে ফেলে ফসল। এতে যেমন বানরদের জীবন হুমকিতে পড়েছে, তেমনি বাড়ছে মানুষ-প্রাণী সংঘাতের সম্ভাবনা।

পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন আন্দোলন (পরউআ) ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমেদ লিটন বলেন, বন থেকে কেউ একটি গাছও যেনো কেটে নিতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। বনের বানরদের করুণ এই অবস্থা যেন অরণ্যের নীরব আর্তনাদ। তাদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ না করলে, কেবল একটি প্রজাতিই নয়- পুরো বনজ প্রতিবেশই ভেঙে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, বানরদের নিয়মিত চালসহ খাওয়ার জন্য পানি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বনে ফলের চারা লাগানো হয়েছে। আরও প্রচুর পরিমাণ চারা লাগানো হবে। বানরগুলো যেন টিকে থাকতে পারে, সেজন্য আমাদের বন কর্মকর্তারা যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। কেউ যেন বনের গাছ কেটে নিতে না পারে, সেজন্যও বন কর্মকর্তারা তৎপর রয়েছেন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/কেএইচকে/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()