সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

বিষখালীতে ইলিশের জন্য হাহাকার জেলেদের

ভরা মৌসুমেও উপকূলীয় ঝালকাঠি জেলার বিষখালী নদীতে দেখা মিলছে না রূপালী ইলিশের। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় উপজেলার কয়েকশো জেলে পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।

মৎস্য

ভরা মৌসুমেও উপকূলীয় ঝালকাঠি জেলার বিষখালী নদীতে দেখা মিলছে না রূপালী ইলিশের। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় উপজেলার কয়েকশো জেলে পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।

মৎস্য অধিদপ্তর ও জেলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এক সময় বিষখালী নদীর তীরবর্তী ১২ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত। ইলিশ আহরণের অভয়ারাণ্য ছিল বিষখালী নদী। বর্তমানে উপজেলার দুই হাজার জেলে পরিবার এর ওপর নির্ভরশীল। এসব জেলেরা বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও থেকে ঋণ এবং মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে দাদন নিয়ে নৌকা-জাল কিনে নদীতে নেমেছেন। কিন্তু দিনরাত নদীতে জাল ফেলেও ইলিশ না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফিরছেন তারা।

জেলার আমুয়া বন্দর, কাঁঠালিয়া সদর, কচুয়া, সেন্টারের হাট ও আওরাবুনিয়া বাজারেও ইলিশের দেখা মিলছে কম। মাঝে মধ্যে দুই একজন জেলের জালে দুই একটি মাছ ধরা পড়লেও বাজারে তার দাম আকাশ ছোঁয়া। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাহিরে।

এদিকে অন্য কোনো আয়ের উৎস না থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন ওই সব জেলে পরিবার। তাদের পরিবার প্রায়ই অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে।

উপজেলার বড় কাঁঠালিয়া গ্রামের জেলে ফারুক হোসেন বলেন, নদীতে এখন আর আগের মতো ইলিশ পাওয়া যায় না। বাপ-দাদার পেশা ছাড়তেও পারছি না।

ফারুকের ছোট ভাই সেন্টু জানান, কয়েক বছর ধরে নদীতে মাছ না পাওয়ায় সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছিল। তাই বাধ্য হয়ে পেশা পরির্বতন করেছি। এখন কাঁঠালিয়া থানার সামনে চায়ের দোকান করি।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্যুরো বাংলাদেশ'র উপজেলা শাখা ব্যবস্থাপক মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ছোট একটা চাকরি করে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে এমনিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপর আবার চড়া মূল্যের ইলিশ মাছ কিনে খাবো কীভাবে। বর্তমান বাজারে স্থানীয় নদীর ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০০-২০০০ টাকা।

আমুয়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নুরু সরদার জানান, বিষখালী নদীর পানি মিষ্টি, তাই এ নদীর ইলিশ সুস্বাদু। এই মাছের দামও বেশি। এখনতো ইলিশ মাছ পাওয়াই যায় না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার জানান, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে নদীতে মাছ কম। আমাবশ্যার গোনের পর থেকে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়তে পারে।

মো. আতিকুর রহমান/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মাছ ও চিংড়ির খাবারের পোস্টবায়োটিক JUV-এর উৎপাদন বড় বায়োরিঅ্যাক্টরে নিল Knip

বোস্টনের স্টার্টআপ Knip তাদের ফার্মেন্টেশনে তৈরি পোস্টবায়োটিক মাছের খাবার উপাদান JUV-এর উৎপাদন ১০ হাজার টন সক্ষমতার এক চুক্তিভিত্তিক কারখানায় সরিয়েছে; এটি সয়া বা ফিশমিলের বিকল্প নয়, বরং কম মাত্রায় ব্যবহারে চাষের মাছ ও চিংড়িকে চাপ সামলে বাঁচিয়ে রাখার উপাদান।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
মৎস্য

চাঁদপুরে ইলিশের ডিমের বাণিজ্য, হুমকিতে প্রজনন

দেশের অন্যতম বড় ইলিশের বাজার চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছঘাট। ভরা মৌসুমেও এবার সেখানে ইলিশের সরবরাহ কম। ফলে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। সেই সাথে নতুন কারবার হিসাবে হিসেবে যুক্ত হয়েছে আলাদা করে ইলিশের ডিম বিক্রি। বিস্তারিত জানাছেন শাইখ সিরাজ।

শাইখ সিরাজ১১ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
মৎস্য

পশুবাহী গাড়িতে যাতে চাঁদাবাজি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সজাগ আছি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পশুহাট ও পশুবাহী গাড়িতে যাতে চাঁদাবাজি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাগো নিউজ ২৪৮ মে ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()