সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৬%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

বিষধর রাসেলস ভাইপার যেভাবে চিনবেন

বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায় রাসেলস ভাইপার ইদানীং কৃষি জমিতেও দেখা যাচ্ছে। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। ঢাকার কাছেই মানিকগঞ্জের কিছু এলাকায় গত ৩ মাসে বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের কামড়ে অন্তত ৫ জন মারা গেছেন বলে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাই কৃষি জমিতে কাজ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে। বিষধর রাসেলস ভাইপার স

পরিবেশ

বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায় রাসেলস ভাইপার ইদানীং কৃষি জমিতেও দেখা যাচ্ছে। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। ঢাকার কাছেই মানিকগঞ্জের কিছু এলাকায় গত ৩ মাসে বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের কামড়ে অন্তত ৫ জন মারা গেছেন বলে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাই কৃষি জমিতে কাজ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে। বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপকে চিনতে হবে।

রাসেলস ভাইপার সাপ বাংলাদেশে 'চন্দ্রবোড়া' বা 'উলুবোড়া' নামে পরিচিত। বাংলাদেশে যেসব সাপ দেখা যায়; সেগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বিষাক্ত। এটি ভাইপারিডি পরিবারভুক্ত ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম বিষধর সাপ এবং উপমহাদেশের ভয়ংকর চারটি সাপের একটি।

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার দেহ মোটাসোটা, লেজ ছোট ও সরু। প্রাপ্তবয়স্ক সাপের দেহের দৈর্ঘ সাধারণত ১ মিটার; দেহের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ ১.৮ মিটার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাথা চ্যাপ্টা, ত্রিভুজাকার এবং ঘাড় থেকে আলাদা। থুতু ভোঁতা, গোলাকার এবং উত্থিত। নাসারন্ধ্র বড়, যার প্রতিটি একটি বড় ও একক অনুনাসিক স্কেলের মাঝখানে অবস্থিত। অনুনাসিক স্কেলের নিচের প্রান্তটি নাসোরোস্ট্রাল স্কেলে স্পর্শ করে। সুপ্রানসাল স্কেল একটি শক্তিশালী অর্ধচন্দ্রাকার আকৃতি ধারণ করে এবং নাসালকে সামনের দিকে নাসোরোস্ট্রাল স্কেল থেকে আলাদা করে। রোস্ট্রাল স্কেল যেমন বিস্তৃত তেমনই এটি উচ্চ।

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার শরীর লেজসহ সর্বোচ্চ ১৬৬ সেন্টিমিটার (৬৫ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এশিয়ার মূল ভূখণ্ডে গড় প্রায় ১২০ সেন্টিমিটার (৪৭ ইঞ্চি) পর্যন্ত হয়ে থাকে। দ্বীপে আকৃতি সাধারণত কিছুটা ছোট হয়ে থাকে। এটি বেশিরভাগ ভাইপারের চেয়ে সরু।

১. মোট দৈর্ঘ ১.২৪ মিটার (৪ ফুট ১ ইঞ্চি)২. লেজের দৈর্ঘ ৪৩০ মিলিমিটার (১৭ ইঞ্চি)৩. ঘের ১৫০ মিলিমিটার (৬ ইঞ্চি)৪. মাথার প্রস্থ ৫১ মিলিমিটার (২ ইঞ্চি)৫. মাথার দৈর্ঘ ৫১ মিলিমিটার (২ ইঞ্চি)

আরও পড়ুন

চন্দ্রবোড়া প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক হয়ে থাকে। অন্য সাপ মানুষকে দংশনের পর সেখান থেকে দ্রুত সরে যায়। রাসেলস ভাইপার ঘটনাস্থল থেকে সরতে চায় না। অন্য সাপ মানুষকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করলেও সাপটির স্বভাব তার বিপরীত। তাই প্রতি বছরই অনেক মানুষ কেবল সাপটির কামড়েই প্রাণ হারান। আক্রমণের ক্ষিপ্র গতি ও বিষের তীব্রতার কারণে 'কিলিংমেশিন' হিসেবেও পরিচিত সাপটি।

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাপ ডিম পাড়ার পরিবর্তে সরাসরি বাচ্চা দেয়। ফলে সাপের বাচ্চাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এরা বছরের যে কোনো সময় প্রজনন করে। তবে মে থেকে পরের ৩ মাস প্রজনন সবচেয়ে বেশি হয়। একটি স্ত্রী সাপ গর্ভধারণ শেষে ২০ থেকে ৪০টি বাচ্চা দেয়। তবে কোনো কোনো চন্দ্রবোড়া সাপের ৮০টি পর্যন্ত বাচ্চা দেওয়ার রেকর্ড আছে।

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাধারণত ঘাস, ঝোঁপ, বন, ম্যানগ্রোভ ও ফসলের ক্ষেতে, বিশেষত নিচু জমির ঘাসযুক্ত উন্মুক্ত ও কিছুটা শুষ্ক পরিবেশে বাস করে। স্থলভাগের সাপ হলেও পানিতে দ্রুতগতিতে চলতে পারে। ফলে বর্ষাকালে কচুরিপানার সঙ্গে বহুদূর পর্যন্ত ভেসে নিজের স্থানান্তর ঘটাতে পারে। এরা নিশাচর। এরা খাদ্য হিসেবে ইঁদুর, ছোট পাখি, টিকটিকি ও ব্যাঙ খায়। বসতবাড়ির আশেপাশে চন্দ্রবোড়ার খাবারের প্রাচুর্যতা থাকায় খাবারের খোঁজে অনেক সময় লোকালয়ে চলে আসে।

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়াকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দুর্লভ সাপ বলা হয়। এটি পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায়, বিশেষ করে নদীয়া, বর্ধমান, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও বাঁকুড়া জেলার গ্রাম অঞ্চলে ভয়ের অন্যতম কারণ। আগে শুধু বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে দেখা যেত। ফলে এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের সাপ বলেই পরিচিত ছিল। বর্তমানে পদ্মা অববাহিকা ধরে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলায় বিস্তৃত হচ্ছে। দেশের রাজশাহী, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, চাঁদপুর, হাতিয়া এবং ভোলায় এ সাপের উপস্থিতি দেখা গেছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()