সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

বিলুপ্তপ্রায় রং-বেরঙের প্রজাপতি

নিয়ামুর রশিদ শিহাব

পরিবেশ

নিয়ামুর রশিদ শিহাব

প্রায় এক দশক আগেও বাংলাদেশে ছয় শতাধিক প্রজাতির প্রজাপতির দেখা পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে টিকে আছে মাত্র অর্ধেক প্রজাতির প্রজাপতি। নির্বিচারে বনের গাছ কাটা, ঝোপঝাড় পরিষ্কার এবং ফাঁদ পেতে প্রজাপতি নিধনের ফলে অন্য সব প্রাণীর মতো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বর্ণিল, অপূর্ব সুন্দর রং ও বৈচিত্র্যপূর্ণ পতঙ্গ প্রজাপতি।

প্রজাপতি লেপিংডোপেট্রা বর্গের এক ধরনের মথ জাতীয় পতঙ্গ। অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন পতঙ্গ প্রজাপতির দেহ লম্বাটে এবং তাদের শরীরে বর্ণিল রঙের ডানা থাকে। প্রজাপতির অধিকাংশ প্রজাতিই দিবাচর। এরা দিনের বেলায়ই ঘুরে বেড়ায়। মধুর সন্ধানে তারা ফুল থেকে ফুলে ঘুরে বেড়ায়। প্রজাপতির ডানা অত্যন্ত স্বচ্ছ। এদের ডানা মূলত Chitin নামক এক প্রকার প্রোটিন দ্বারা কয়েকটি স্তরে সাজানো। এ প্রোটিন প্রজাপতির Exoskeleton তৈরি করে।

আরও পড়ুন: একটি গোলাপের দাম ১৪৪ কোটি টাকা

প্রজাপতির ডানার স্তরগুলো এতই সূক্ষ্ম যে, এর মধ্য দিয়ে সব কিছু দেখা যায়। কয়েক হাজার ক্ষুদ্র আঁশ ডানার স্তরগুলোকে আবৃত করে রাখে। আঁশগুলোতে বিভিন্ন রঙের আলো প্রতিফলিত হয়ে নানা রং ধারণ করে। প্রজাপতি পা দিয়ে স্বাদ গ্রহণ করে। স্ত্রী প্রজাপতি বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছে বসে পা দিয়ে পাতার ওপরে ঘঁষে উদ্ভিদ থেকে রস গ্রহণ করে। প্রজাপতির পায়ের পেছনে Chemotreceptor নামক এক প্রকার সংবেদী অঙ্গ থাকে, যার মাধ্যমে এরা স্বাদ গ্রহণ করে থাকে।

পৃথিবীতে ১৫ থেকে ২০ হাজার প্রজাতির প্রজাপতি আছে। সবচেয়ে বড় প্রজাপতি হলো 'রানী আলেকজান্দ্রার বার্ডউইং'। এ প্রজাতির প্রজাপতির পাখার আকৃতি ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। আর পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট প্রজাতির প্রজাপতি হলো 'ওয়েস্টার্ন পিগমি ব্লু'। এরা লম্বায় মাত্র ১ সেন্টিমিটার হয়। অধিকাংশ প্রজাতির প্রজাপতির আয়ুষ্কাল এক থেকে দুই সপ্তাহ। কিছু প্রজাতির প্রজাপতি আবার দেড় বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

আরও পড়ুন: অমীমাংসিত মুহুরীর চরে ক্রিকেটের জয়গান

প্রজাপতি একসময় আমাদের দেশে বনে-জঙ্গলে, গ্রামে-গঞ্জে প্রচুর পরিমাণে দেখা যেত। এখন অনেকটা কমে গেছে। দেশে এমন কোনো মানুষ পাওয়া দুষ্কর হবে, যিনি ছোটবেলায় প্রজাপতির রঙে মুগ্ধ হয়ে তার পিছু ছোটেননি। দেশের সৌন্দর্যময় বন মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে এখনো অনেক প্রজাতির প্রজাপতির দেখা মেলে। বাংলাদেশের বান্দরবান, উখিয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার প্রভৃতি এলাকার বনগুলোয় প্রচুর পরিমাণে প্রজাপতির দেখা মেলে। এ ছাড়া সুন্দরবন ও মধুপুরে কিছু প্রজাতির প্রজাপতি দেখা যায়।

প্রজাপতির সব প্রজাতি টিকিয়ে রাখতে দেশে গবেষণা হচ্ছে। চট্টগ্রামে প্রজাপতি পার্ক করা হয়েছে। প্রজাপতি টিকিয়ে রাখতে সবার আগে প্রয়োজন জনসচেতনতা। অনেকে বন ভ্রমণে গিয়ে বনের লতাগুল্ম নষ্ট করেন। এতে প্রজাপতি তাদের আবাস হারিয়ে ফেলে। ফলে প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। প্রজনন স্থান ধ্বংস প্রতিরোধ, নতুন আবাসস্থল সৃষ্টি এবং জনসচেতনতাই পারে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রজাপতিকে রক্ষা করতে। তাই অতি দ্রুত আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

লেখক: শিক্ষার্থী, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()