সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

ভোলায় মাছের দামে ঊর্ধ্বগতি, ক্রেতাদের ক্ষোভ

নদী ও সাগরে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা নেই। বাজারগুলোতেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের বেশ সরবরাহ। অথচ ভোলার বাজারে নদী, সাগর ও পুকুর-ঘেরের মাছের দামে ঊর্ধ্বগতি। মাছ কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।

মৎস্য

নদী ও সাগরে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা নেই। বাজারগুলোতেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের বেশ সরবরাহ। অথচ ভোলার বাজারে নদী, সাগর ও পুকুর-ঘেরের মাছের দামে ঊর্ধ্বগতি। মাছ কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।

ভোলার পৌর শহরের কিচেন মার্কেটে সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে মাছের বেশ সরবরাহ রয়েছে। ইলিশ, কোরাল থেকে শুরু করে নদী, সাগর ও পুকুর-ঘেরের সব মাছই বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু দামে ঊর্ধ্বগতি। নদীর ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার টাকায়। আর সাগরের ইলিশ কেজি এক হাজার ৭০০ টাকা, কোরাল এক হাজার ১০০ টাকা ও নদীর পাঙাশ কেজি ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পুকুর ও ঘেরের রুই-কাতলা ৪০০-৫৫০, চিড়িং ৯০০-১৮০০, তেলাপিয়া ২৫০-৪৫০, চাষের শিং ও কই মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম ঊর্ধ্বগতি থাকায় মাছ কিনছে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা।

মাছ কিনতে আসা শফিকুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‌'ইলিশ মাছ কিনতে বাজারে এসেছি। কিন্তু ইলিশের দাম আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। জাটকার কেজি হাজার টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম দুই হাজারেরও বেশি। ইলিশ কিনবো কী করে?'

তারা আরও জানান, ভোলার চারদিকে নদী থাকায় প্রচুর ইলিশ পাওয়া যায়। সারাদেশের প্রায় ৩০ শতাংশেরও বেশি ইলিশ আহরণ হয় ভোলায়। অথচ ভোলার বাজারের ইলিশের দামে ঊর্ধ্বগতি। এটি আমরা সাধারণ ক্রেতারা মেনে নিতে পারছি না।

আব্দুল মালেক নামের একজন ক্রেতা জানান, তিনি রুই-কাতলা কিনতে কিচেন মার্কেটে এসেছেন। পুকুর ও ঘেরের রুই-কাতলার দাম ঊর্ধ্বগতি। ঈদের আগে যেই রুই-কাতলা বিক্রি হতো ২৫০থেকে ৪০০ টাকায়, সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে। ঈদ শেষ হয়ে গেলেও এখনো মাছের দাম কমেনি। অথচ বাজারে প্রচুর মাছ রয়েছে।

ক্রেতা আরির হোসেন জানান, তার বাড়িতে ঢাকা থেকে মেহমান আসছেন। তাই কোরাল ও বড় চিংড়ি কিনতে এসেছেন। কিন্তু কোরালের কেজি ১১০০-১২০০ টাকা ও বড় চিংড়ির দাম ১৮০০ টাকা চাচ্ছে। এখন কী করবেন বুঝতে পারছেন না।

ইলিশ বিক্রি করছিলেন মো. মাইনউদ্দিন ও মো. শামসুদ্দিন। তারা বলেন, বাজারে ক্রেতার চাহিদা বেশি কিন্তু সেই তুলনায় বেশি মাছ আনতে পারছি না। কারণ মাছ ঘাটে এলে বেশিরভাগ আড়তদার ঢাকা, চাঁদপুর ও বরিশালে বিক্রির জন্য কিনে নেন।

পুকুর ও ঘেরের মাছ বিক্রেতা মোশারেফ হোসেন বলেন, খাবারের দাম বেশি তাই পুকুর-ঘেরের মালিকরা দাম একটু বাড়িয়ে দিয়েছেন। এজন্য কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ভোলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. মোস্তফা সোহেল বলেন, বাজারে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের দাম বেশি রয়েছে বলে জানতে পেরেছি। ক্রেতাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মাছ ও চিংড়ির খাবারের পোস্টবায়োটিক JUV-এর উৎপাদন বড় বায়োরিঅ্যাক্টরে নিল Knip

বোস্টনের স্টার্টআপ Knip তাদের ফার্মেন্টেশনে তৈরি পোস্টবায়োটিক মাছের খাবার উপাদান JUV-এর উৎপাদন ১০ হাজার টন সক্ষমতার এক চুক্তিভিত্তিক কারখানায় সরিয়েছে; এটি সয়া বা ফিশমিলের বিকল্প নয়, বরং কম মাত্রায় ব্যবহারে চাষের মাছ ও চিংড়িকে চাপ সামলে বাঁচিয়ে রাখার উপাদান।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
মৎস্য

চাঁদপুরে ইলিশের ডিমের বাণিজ্য, হুমকিতে প্রজনন

দেশের অন্যতম বড় ইলিশের বাজার চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছঘাট। ভরা মৌসুমেও এবার সেখানে ইলিশের সরবরাহ কম। ফলে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। সেই সাথে নতুন কারবার হিসাবে হিসেবে যুক্ত হয়েছে আলাদা করে ইলিশের ডিম বিক্রি। বিস্তারিত জানাছেন শাইখ সিরাজ।

শাইখ সিরাজ১১ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
মৎস্য

পশুবাহী গাড়িতে যাতে চাঁদাবাজি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সজাগ আছি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পশুহাট ও পশুবাহী গাড়িতে যাতে চাঁদাবাজি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাগো নিউজ ২৪৮ মে ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()