২০২২ সালে যেসব খামার ও র্যাঞ্চ পুরোপুরি নতুন কৃষকেরা চালাচ্ছিলেন, সেগুলো অভিজ্ঞদের খামারের তুলনায় স্পষ্টতই ছোট ছিল—কৃষিশুমারির তথ্য বিশ্লেষণ করে এমনটাই পেয়েছে ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস।
ইআরএসের হিসাবে, যেকোনো খামার বা র্যাঞ্চ পরিচালনায় যাঁদের অভিজ্ঞতা ১০ বছরের বেশি নয়, তাঁরাই নতুন পরিচালক। ২০২২ সালের কৃষিশুমারিতে পরিচালকদের নিজেদের দেওয়া উত্তর ব্যবহার করে সংস্থাটি প্রতিটি খামারকে তিন ভাগে ভাগ করেছে: ‘সম্পূর্ণ নতুন’, যেখানে সব পরিচালকই নতুন; ‘প্রতিষ্ঠিত’, যেখানে সব পরিচালকেরই ১০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা; এবং ‘বহুপ্রজন্মের নতুন’, যেখানে দুই ধরনের পরিচালক একসঙ্গে কাজ করেন।
বিভাজনরেখাটি পড়েছে প্রথম দলটি আর বাকি দুটির মাঝখানে। বহুপ্রজন্মের ও প্রতিষ্ঠিত খামারের আকারের বণ্টন ছিল কাছাকাছি, আর সম্পূর্ণ নতুনদের খামার ছিল গড়ে ছোট। সম্পূর্ণ নতুনদের ৫৮ শতাংশ খামারের জমি ছিল ৪৯ একর বা তার কম; বহুপ্রজন্মের নতুনদের ক্ষেত্রে তা ৩৬ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠিতদের ক্ষেত্রে ৩৮ শতাংশ।
একই ফারাক দেখা গেছে বড় আকারের দিকেও। সম্পূর্ণ নতুনদের মাত্র ৬ শতাংশ ৫০০ একর বা তার বেশি জমি চাষ করতেন, যেখানে বহুপ্রজন্মের নতুনদের ১৯ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠিতদের ১৭ শতাংশ।
জমির পরিমাণ আকার মাপার একটিমাত্র মানদণ্ড, তাই ইআরএস গবেষক ক্যাথরিন লেসি বিষয়টি মিলিয়ে দেখেছেন মোট নগদ খামার আয়ের সঙ্গেও—খরচ বাদ দেওয়ার আগে খামারে যা আসে, তার বিস্তৃত হিসাব। ফল একই। সম্পূর্ণ নতুনদের প্রায় ৮৬ শতাংশ ছিলেন সবচেয়ে নিচের আয়ের ধাপে, বছরে ৭৫ হাজার ডলারের কম; বহুপ্রজন্মের নতুনদের ক্ষেত্রে তা ৬৭ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠিতদের ৭২ শতাংশ।
দুই ধরনের নতুন কৃষকের এই ফারাকই গবেষণার মূল কথা। অভিজ্ঞ কারও পাশে থেকে—বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারের ভেতরে—যিনি শুরু করেন, তিনি মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত খামারের আকার থেকেই শুরু করেন। আর একা শুরু করা কৃষকের শুরুটা ছোট, জমিতেও কম, আয়েও কম—প্রথম দশকটা পার করা যেখান থেকে সবচেয়ে কঠিন।
চার্টটি এসেছে ইআরএসের ‘বিগিনিং ফার্মার অ্যান্ড র্যাঞ্চার অপারেশনস: ক্যারেক্টারিস্টিকস অ্যাসোসিয়েটেড উইথ বিজনেস সারভাইভাল’ প্রতিবেদন থেকে, যা প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের মার্চে।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)