সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯১%বাতাস কিমি/ঘ

বাসারের সংগ্রহে ২০০ প্রজাতির গাছ

পটুয়াখালীর বাউফলে একজন শিক্ষক তার বসতবাড়িতে গড়ে তুলেছেন দেশি-বিদেশি প্রায় ২০০ প্রজাতির বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছের বিশাল সংগ্রহশালা। প্রতিদিন তার এই বাগান দেখতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভিড় করছেন। আগতদের মাঝে বিনা মূল্যে এই বাগান থেকে ফলমূল ও নানান ধরনের গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক কোনো উদ্দেশ

পরিবেশ

পটুয়াখালীর বাউফলে একজন শিক্ষক তার বসতবাড়িতে গড়ে তুলেছেন দেশি-বিদেশি প্রায় ২০০ প্রজাতির বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছের বিশাল সংগ্রহশালা। প্রতিদিন তার এই বাগান দেখতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভিড় করছেন। আগতদের মাঝে বিনা মূল্যে এই বাগান থেকে ফলমূল ও নানান ধরনের গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তার এই কার্যক্রম বলে জানান কৃষি উদ্যোক্তা আবুল বাসার।

বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের আবুল বাসার। পেশায় একজন শিক্ষক হলেও স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি একজন আদর্শ বৃক্ষপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। আবুল বাসার তার বাড়ির আঙ্গিনার ৪৫ শতাংশ জায়গায় গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন গাছের সংগ্রহশালা। এখানে তিনি যেমন বিদেশি ফলমূলের গাছ সংগ্রহ করেছেন তেমনি দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির গাছও রয়েছে তার সংগ্রহে।

বৃক্ষপ্রেমী আবুল বাসার বলেন, 'আমার রয়েছে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির নাগলিঙ্গম, মহুয়া, চন্দন, ছেদ চন্দন, কর্পুর, সুলতানি চাপার মতো গাছ। এ ছাড়া বিভিন্ন বিদেশি গাছ যেমন পার্সিমন, এভকাডো, ডুরিমন এ ধরনের গাছ রাখার চেষ্টা করেছি।

পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, মাল্টা, আপেল, কমলা ও বিভিন্ন জাতের বাদাম, তেঁতুল, কলা, থাইপাতা, বিভিন্ন জাতের তুলশিপাতা, তেজপাতা, দারুচিনি, জামরুল থেকে শুরু করে সবধরনের গাছের সংগ্রহে রেখেছি। দেশের যেখানেই কোনো গাছের সন্ধান পেয়েছি সেখান থেকেই এসব গাছের চারা, কলম কিংবা বীজ সংগ্রহ করে তা দিয়ে এই গাছ তৈরি করেছি। আমার এখানে গাছ গুলোতে সারাবছরই কোনো না কোনো ফলফলাদির উপস্থিতি থাকছে।'

শিক্ষকের গড়া এই বাগানে সবসময় ফল, ফুল থাকায় বিভিন্ন পাখির অবাধ বিচরণ দেখা যায়। বাগানে কোনো ক্ষতিকর কীটনাশক কিংবা সার ব্যবহার না করায় পাখি এবং মানুষ সহজেই এসব ফল খেতে পারছেন।

আবুল বাসার আরও জানান, তিনি গাছের জন্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করেন। যেমন- গোবর সার, তিলের খৈল, সরিষার খৈল, কালিজিরার খৈল। এছাড়া পেস্টিসাইড হিসেবে সাদাপাতা, মেহগনি গাছের ফল, নিমপাতার মতো উপাদান ব্যবহার করে তিনি নিজেই পেস্টিসাইড তৈরি করেন। এজন্য তার উৎপাদিত ফলমূল এবং শাক-সবজি শতভাগ নিরাপদ বলেও দাবি করেন এই কৃষি উদ্যোক্তা।

জলবায়ুর প্রভাবসহ বিভিন্ন কারণে কমছে দেশে গাছপালসহ পশুপাখির সংখ্যা। ব্যক্তি উদ্যোগে এ ধরনের বাগান তৈরি করতে পারলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ চারপাশের পরিবেশকে বাসযোগ্য করা সম্ভব বলে মনে করেন বৃক্ষপ্রেমী আবুল বাসার। এসব কারণে স্থানীয়সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ এই বাগান দেখতে আসেন। আর বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা দেখে সবাই মুগ্ধ হন।

আব্দুস সালাম আরিফ/এমএমএফ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()