সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১০ কিমি/ঘবৃষ্টি ২.৮ মিমি

আশেপাশের বন্যপ্রাণী রক্ষায় আপনার করণীয় কী

আমাদের আশেপাশে যে পাখি, কাঠবিড়ালি, বাদুড়, শালিক, চড়ুই কিংবা ছোট সরীসৃপগুলো থাকে – আমাদের মতো তারাও এই পৃথিবীর সন্তান, প্রকৃতির অংশ। কিন্তু তাদের জন্য কি আমরা কিছু করছি?

পরিবেশ

আমাদের আশেপাশে যে পাখি, কাঠবিড়ালি, বাদুড়, শালিক, চড়ুই কিংবা ছোট সরীসৃপগুলো থাকে – আমাদের মতো তারাও এই পৃথিবীর সন্তান, প্রকৃতির অংশ। কিন্তু তাদের জন্য কি আমরা কিছু করছি?

বরং আমাদের গড়ে তোলা কংক্রিটের শহর দিনদিন তাদের আরও কোনঠাসা করে ফেলছে। গাছ, জলাশয় আর নিরাপদ বাসস্থান কমে যাচ্ছে। ফলে লোকালয়ের কাছাকাছি বসবাসকারী বন্যপ্রাণী সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ছে।

আজ, ৩ মার্চ, বিশ্ব বন্যপ্রাণি দিবস। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহাবস্থানের এই দিনে তাই আমাদের সবার জানা উচিত যে, প্রতিদিনের কোন কাজগুলোর মাধ্যমে আমরা এই বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করতে পারি।

জাতিসংঘের পরিবেশ সংস্থা ইউনাইটেড নেশন এনভাইরনমেন্ট প্রোগ্রাম সতর্ক করেছে, নগরায়ন ও আবাসস্থল ধ্বংস জীববৈচিত্র্য হ্রাসের বড় কারণ। আবার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের লাল তালিকা দেখায় যে, অসংখ্য প্রজাতি বাসস্থান সংকট ও মানবসৃষ্ট ঝুঁকির কারণে আজ বিলুপ্তির পথে। তাই সচেতনতা শুরু হোক ঘর থেকে, বারান্দা থেকে, ছাদ থেকে।

লোকালয়ের পাখি ও ছোট প্রাণীর প্রধান ভরসা গাছ। দেশি ফলদ ও ফুলগাছ পাখির খাবার ও বাসা বাঁধার জায়গা দেয়। শুধু শোভাবর্ধক বিদেশি গাছ নয়, স্থানীয় প্রজাতির গাছ লাগালে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পায়।

শখ করে টিয়া, ময়না বা বুনো পাখি কিনে খাঁচায় রাখা অবৈধ ও অমানবিক - এতে অবৈধ বন্যপ্রাণীর বাণিজ্য বাড়ে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড জানায়, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি। বন্য পাখি প্রকৃতির জন্য, ঘরের শোভাবর্ধনের জন্য নয়।

গরমকালে ছোট একটি পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখলে পাখিরা উপকৃত হয়। তবে নিয়মিত পানি বদলানো জরুরি, যাতে মশার বংশবিস্তার না হয়।

বাড়ির বাগান বা ছাদে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করলে পোকামাকড় কমে যায়, ফলে পাখির খাবারের উৎসও কমে। বিষাক্ত রাসায়নিক ছোট প্রাণীর জন্যও ক্ষতিকর। পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহার করলে স্থানীয় প্রাণিবৈচিত্র্য রক্ষা পায়।

অনেক সময় আহত পাখি বা বন্য প্রাণী দেখে আমরা ঘরে তুলে আনি। কিন্তু ভুল যত্ন তাদের জন্য আরও ক্ষতিকর হতে পারে। স্থানীয় বন বিভাগ বা বন্যপ্রাণী উদ্ধার সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করাই নিরাপদ উপায়।

প্রকৃতি রক্ষার শিক্ষা ছোটবেলা থেকেই শুরু হওয়া উচিত। পাখির বাসা নষ্ট না করা, ঢিল না ছোড়া, প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া - এই অভ্যাসগুলোই ভবিষ্যতের পরিবেশবান্ধব নাগরিক তৈরি করে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস শুধু বন-জঙ্গলের বাঘ বা হাতির কথা বলে না; আমাদের বারান্দায় আসা চড়ুই, সন্ধ্যায় উড়ে যাওয়া বাদুড় কিংবা গাছের ডালে বসা দোয়েল রক্ষা করাও এর অংশ। বন্যপ্রাণী রক্ষা মানে দূরের কোনো কাজ নয় - এটি আমাদের দৈনন্দিন আচরণের অংশ।

সূত্র: ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার লাল তালিকা, ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড রিপোর্ট

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()