যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ গত ১ সেপ্টেম্বর আইওয়ার বুনে শহরে ফার্ম প্রোগ্রেস শোতে একটি 'ডেটা মডার্নাইজেশন প্ল্যান' ঘোষণা করেছে। বিভাগটি বলছে, এতে উৎপাদকদের ওপর চাপানো তথ্য দেওয়ার ভার কমবে, আর কৃষি-পরিসংখ্যান প্রকাশ হবে আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে।
১৮৬২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভাগটি কৃষি-তথ্য সংগ্রহ করে আসছে। এই হিসাব থেকেই তৈরি হয় ফসল ও গবাদি পশুর প্রাক্কলন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সরঞ্জাম, দুর্যোগ সহায়তা এবং কৃষক, কৃষি-ব্যবসায়ী ও গবেষকদের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত।
কৃষিমন্ত্রী ব্রুক এল. রলিন্স বলেন, "আমেরিকার কৃষক ও খামারিরা আমাদের খাদ্য ও কৃষি ব্যবস্থার মেরুদণ্ড, আর ইউএসডিএ-র উচিত তাঁদের সময়ের মর্যাদা দেওয়া এবং একই সঙ্গে তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া।" পরিকল্পনাটি লালফিতার দৌরাত্ম্য কমাবে এবং তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশে উৎপাদকদের কণ্ঠস্বর জোরালো করবে বলে তিনি জানান।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া একটি তথ্য-আহ্বান এবং আগস্ট মাসজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যের মেলা ও কৃষি প্রদর্শনীতে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার পর এ পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। বিভাগ বলছে, এতে কয়েকশ উৎপাদক ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মত পাওয়া গেছে। পরিকল্পনাটি চারটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়ানো।
তথ্য আধুনিকায়নবিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা কিপ টম বলেন, এই পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন সংস্থাকে এক জায়গায় আনবে এবং তথ্যের পুরোনো দেয়ালগুলো ভাঙবে। গবেষণা, শিক্ষা ও অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি স্কট হাচিন্স বলেন, পরিসংখ্যানের মান নির্ভর করে উৎপাদকদের স্বেচ্ছা অংশগ্রহণের ওপর; তাই ভার কমানো সেই অংশগ্রহণ রক্ষারই উপায়।
বিভাগের ভাষ্য, কাজটি এমন পদ্ধতির ওপর দাঁড়িয়ে যেগুলো ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে — উপগ্রহভিত্তিক ফসল পর্যবেক্ষণ, ভূস্থানিক বিশ্লেষণ, ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন প্রতিবেদন সরঞ্জাম এবং হাতে থাকা প্রশাসনিক নথির বিস্তৃত ব্যবহার।
বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে এখনই। বিভাগ বলছে, নতুন পদ্ধতি চালুর সময় তারা নিজেদের কার্যপদ্ধতি প্রকাশ করবে এবং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করবে।
সূত্র: ইউএসডিএ





মন্তব্য
(০)