যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ গত ১ জুলাই দেশের ভেতরে সার উৎপাদন বাড়াতে ৫০ কোটি ডলারের একটি কর্মসূচি চালু করেছে। বিভাগের ভাষ্য, এর লক্ষ্য সরবরাহ আরও নির্ভরযোগ্য করা এবং আমেরিকান কৃষকের উপকরণ ব্যয় কমানো।
'ফার্টিলাইজার ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড এক্সপানশন ফর লং-টার্ম ডোমেস্টিক সাপ্লাই' বা সংক্ষেপে 'ফিল্ডস' কর্মসূচিটি চালাবে ইউএসডিএ রুরাল ডেভেলপমেন্টের রুরাল বিজনেস-কোঅপারেটিভ সার্ভিস, আর অর্থ আসবে কমোডিটি ক্রেডিট কর্পোরেশন থেকে। এতে নাইট্রোজেন, ফসফেট, পটাশ, সালফারসহ গুরুত্বপূর্ণ ফসল-পুষ্টি উৎপাদনের কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণে সহায়তা দেওয়া হবে।
প্রতিটি অনুদান হবে দেড় কোটি থেকে সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের মধ্যে। বিভাগ বলছে, যেসব প্রকল্প এখনই কাজ শুরু করার মতো প্রস্তুত ও আর্থিকভাবে টেকসই, সেগুলোকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে — আবেদন যাচাই হবে উদ্দেশ্য নয়, নির্মাণের সময়সূচি ও পরিমাপযোগ্য উৎপাদনের ভিত্তিতে।
এই জোর এসেছে আগের প্রশাসনের রেখে যাওয়া ১২০টিরও বেশি সার প্রকল্প পর্যালোচনার পর। বিভাগ উদ্যোক্তা, ঋণদাতা ও কৃষকদের সঙ্গে কাজ করে দেখেছে কোথায় নির্মাণ ও অর্থায়ন আটকে গিয়েছিল; তাদের হিসাবে ঘোষিত লক্ষ্যের মাত্র ৬ শতাংশ বাস্তবে নির্মিত হয়েছিল।
কৃষিমন্ত্রী ব্রুক এল. রলিন্স বলেন, "কয়েক দশক ধরে আমেরিকার কৃষকদের দেশকে খাওয়ানোর অন্যতম প্রয়োজনীয় উপকরণটির জন্য অস্থিতিশীল বিদেশি সরবরাহকারীর ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করা হয়েছে।" তিনি যোগ করেন, "খামারের নিরাপত্তাই জাতীয় নিরাপত্তা।"
কর্মসূচিটি সার নিয়ে নেওয়া অন্য পদক্ষেপগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছে: ফসফেট আমদানির ওপর পাল্টা শুল্ক স্থগিত করা হয়েছে, ফসফেট ও পটাশকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ঘোষণা করা হয়েছে, আর কৃষি উপকরণের বাজারে প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণ নিয়ে বিচার বিভাগের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। সার ও ফসল-উপকরণের বাজার দেখতে বিভাগ প্রথমবারের মতো একজন আলাদা কৃষি-অর্থনীতিবিদও নিয়োগ দিয়েছে।
আবেদন করা যাবে Grants.gov-এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত; যোগ্যতার শর্তাবলি প্রকাশ করেছে ইউএসডিএ রুরাল ডেভেলপমেন্ট।
সূত্র: ইউএসডিএ





মন্তব্য
(০)