সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

একটি দলছুট হনুমানের মানুষের সঙ্গে সখ্য

মাসখানেক আগে একদিন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চলে আসে একটি দলছুট হনুমান। নতুন পরিবেশে এসে হনুমানটি যেমন উদ্বিগ্ন ছিল, হঠাৎ করে লোকালয়ে আসা বুনো প্রাণীটিকে দেখে স্থানীয়রাও হয়ে উঠেছিল কৌতূহলী।

পরিবেশ

মাসখানেক আগে একদিন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চলে আসে একটি দলছুট হনুমান। নতুন পরিবেশে এসে হনুমানটি যেমন উদ্বিগ্ন ছিল, হঠাৎ করে লোকালয়ে আসা বুনো প্রাণীটিকে দেখে স্থানীয়রাও হয়ে উঠেছিল কৌতূহলী।

প্রথমদিকে হনুমানটি মানুষের কাছ থেকে দূরে দূরেই থাকত। গাছের ডালে, ঘরের চালে, ভবনের ছাদে ছিল তার বিচরণ। অনেকেই আবার প্রাণীটিকে তাড়িয়েও দিত। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে হনুমানটির সঙ্গে স্থানীয়দের বেশ সখ্য গড়ে উঠেছে। নিঃসঙ্কোচে সে এখন মিশছে মানুষের সঙ্গে। ঘুরে বেড়াচ্ছে উপজেলাজুড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঙ্গীবিহীন হনুমানটি টিকে থাকার তাগিদেই মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করছে।

স্থানীয়দের ধারণা, দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসা কোনো যানবাহনের ছাদে উঠেই হনুমানটি এ এলাকায় চলে আসে। এর আগেও গোয়ালন্দে এসেছে একাধিক দলছুট হনুমান। নিরাপদ আবাসস্থল ও খাবারের অভাবে তারা ফলের গাড়িতে উঠে এ এলাকায় চলে আসতে পারে।

রোববার দুপুরে বিশালদেহী হনুমানটি ঘোরাফেরা করছিল গোয়ালন্দ বাজার রেলগেট এলাকায়। ক্ষুধার্ত প্রাণীটি একপর্যায়ে ঢুকে পড়ে মজিবর রহমান নামের এক ফল ব্যবসায়ীর দোকানে। দোকানদার তাকে একটি আনার দিলে সে ফলটি লুফে নেয়। দোকানির দেয়া ফলটি ছাড়া অন্য কিছুই সে খায়নি কিংবা কোনো ক্ষতিও করেনি। এরপরে হনুমানটি পাশেই একটি খাবার হোটেলে গিয়ে ক্রেতার মতোই বেঞ্চে বসে পড়ে। হোটেল মালিক সহিতুন নেছা সেটিকে তাড়িয়ে না দিয়ে কিছু খাবার দেন। দেখাদেখি আরও অনেকেই হনুমানটিকে আম, কলা, বাদাম, পাউরুটি ইত্যাদি খেতে দেয়। যতটা সম্ভব খেয়ে সেখান থেকে চুপচাপ চলে যায় প্রাণীটি।

প্রত্যক্ষদর্শী যুবক মুক্তার মাহমুদ, তৌহিদ হোসেন, রাজু আহমেদসহ অনেকেই বলেন, মানুষের সঙ্গে এভাবে স্বাভাবিকভাবে কোনো হনুমানের মিশে যাওয়া এর আগে তারা দেখেনি। লোকজনের মানবিকতা দেখে খুব ভালো লেগেছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, হনুমানটি হয়তো কোনো কলার ট্রাকে করে সুন্দরবন এলাকা থেকে এদিকে চলে এসেছে। এখানে আসার পর সে সঙ্গীবিহীন হয়ে গেছে। তাই সে বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করছে। কারো কোনো ক্ষতি করছে না। ক্ষতিকর নয় এমন প্রাণীদের মানুষও ভালোবাসে। খাবার দেয়, সহযোগিতা করে।

তিনি আরও বলেন, হনুমান ও বানরের জ্ঞান-বুদ্ধি অনেক প্রবল। ওরা বোঝে কোন পরিবেশে কীভাবে নিজেকে খাপ খাওয়াতে হয়।

সব প্রাণীর প্রতি মানবিক আচরণ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান এই কর্মকর্তা।

রু‌বেলুর রহমান/এসএস/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()