সিংড়ার বাজারে ৩১ কেজির বাগাড়
যমুনা নদীর ৩১ কেজি ওজনের তরতাজা বাগাড় মাছ নাটোরের সিংড়া বাজারে বিক্রির জন্য উঠেছে। সঙ্গে ছিল আরও ১১ কেজি ওজনের একটি ছোট বাগাড় মাছ। মাছ দুটি একনজর দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় পড়ে যায
যমুনা নদীর ৩১ কেজি ওজনের তরতাজা বাগাড় মাছ নাটোরের সিংড়া বাজারে বিক্রির জন্য উঠেছে। সঙ্গে ছিল আরও ১১ কেজি ওজনের একটি ছোট বাগাড় মাছ। মাছ দুটি একনজর দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় পড়ে যায়। পরে মাছ দুটি যথাক্রমে এক হাজার ও ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়ে যায়।
সিংড়ার মাছবাজারের আড়তদার আবু বক্কর জানান, বুধবার দুপুরে সিংড়া মাছবাজারে ৩১ কেজি ও ১১ কেজি ওজনের দুটি তরতাজা বাগাড় মাছ বিক্রির জন্য ওঠে। মাছ দুটি তখনো তাজা ছিল। লাফালাফি না করলেও ধীরে ধীরে শ্বাস নিচ্ছিল। চলনবিলে বাগাড় মাছ পাওয়া যায় না। অথচ চলনবিলের প্রাণকেন্দ্র সিংড়া শহরে তাজা বাগাড় আসার খবর মুহূর্তে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একনজর মাছ দুটি দেখার জন্য এলাকার মানুষ ভিড় করেন। অনেকে মুঠোফোনে মাছের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেন। একই সঙ্গে চলতে থাকে মাছ বেচাকেনার দর–কষাকষি। মাছ দুটির মালিক প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা করে দাম হাঁকেন। তবে শেষ পর্যন্ত বড়টি বড় প্রতি কেজি ১ হাজার ও ছোটটি ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে দেন।
মাছ দুটি সিংড়া বাজারে নিয়ে আসেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার মাছ ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, মাছ দুটি বুধবার সকালেই যমুনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ে। তাৎক্ষণিক মাছ দুটি জেলেদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে বেশি দামে বিক্রির জন্য সিংড়া শহরে নিয়ে আসেন। তিনি আরও জানান, তিনি ৫৫ বছর ধরে মাছ বেচাকেনা করছেন। বাগাড় মাছ শ্বাস নিতে পারলে অন্য যেকোনো মাছের চেয়ে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে পারে। তিনি নিজেও খুব সতর্কতার সঙ্গে মাছ দুটি তাজা রাখার চেষ্টা করেছেন। কারণ, তাজা মাছের দাম বেশি পাওয়া যায়। অধিকাংশ খদ্দের তাজা মাছ কিনতে চান।বিজ্ঞাপন
সিংড়ার আড়তদার আবু বক্কর জানান, শেষ পর্যন্ত বড় মাছটি প্রতি কেজি এক হাজার টাকা করে এবং ছোট মাছটি ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। শহরের দুই ব্যবসায়ী মাছ দুটি কিনেছেন। বিক্রেতা কাঙ্ক্ষিত দাম পেয়ে খুশি হয়েছেন।



