সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

২২ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা দীপ্তিময়ের

বান্দরবানে বলসুন্দরী বরই চাষে ভাগ্য ফিরেছে দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যার। এ বছর ২২ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন তিনি। গত বছর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ৬ লাখ টাকার বরই বিক্রি হয়েছিল। এবার পরিবেশ অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় ৪ গুণ বেশি ফলন হয়েছে।

পরিবেশ

বান্দরবানে বলসুন্দরী বরই চাষে ভাগ্য ফিরেছে দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যার। এ বছর ২২ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন তিনি। গত বছর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ৬ লাখ টাকার বরই বিক্রি হয়েছিল। এবার পরিবেশ অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় ৪ গুণ বেশি ফলন হয়েছে।

জানা যায়, ২০১১ সালে এসএসসি পাসের পর পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জুম চাষে সাহায্য করতেন। পরে ভাইদের সঙ্গে আলোচনা করে ২০২৩ সালের শুরুর দিকে বাবার ৫ একর পাহাড়ি জমিতে ৯০০ বলসুন্দরী বরইয়ের কলম চারা রোপণ করেন। যা খুলনার পাইকগাছা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আনা হয়েছিল।

দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, 'পাঁচ একর জায়গায় গত বছর সাড়ে ৯০০ বলসুন্দরী ও কাশ্মীরি বরইয়ের চারা রোপণ করি। কলম চারা হওয়ায় রোপণের প্রথম বছরেই ফলন আসে। সে বছর ৬ লাখ টাকার বরই বিক্রি করেছি। মোট খরচ হয়েছিল আড়াই লাখ টাকা। চলতি বছর আরও সাড়ে ৮০০ বলসুন্দরী চারা লাগানো হয়েছে। সেগুলোতেও গত বছরের তুলনায় চারগুণ বেশি ফলন এসেছে। এই ৫ একর জায়গায় বর্তমানে প্রায় ১৮০০ বরই গাছ আছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে বরই ব্যবসায়ীরা বাগান দেখতে আসছেন।'

তিনি বলেন, 'প্রথমে অনলাইনে ৯৫০টি কলম চারা কেনা হয়েছিল। বাগানে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতি চারা ৫০ টাকা হিসেবে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়। লাগানো, সার ও পরিচর্যাসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয় হয়। বর্তমানে তার বাগানে ২ হাজারেরও বেশি বলসুন্দরী জাতের বরই গাছ আছে। যার মধ্যে ১ হাজার ৮৫০টি গাছে ফলন এসেছে। গত বছর ২০০ টাকা কেজি দরে পাকা বরই ও ৩০০ টাকা কেজি দরে শুকনো বরই বিক্রয় করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে এবার বাগান থেকে প্রায় ২২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করা যাবে।'

বরই ব্যবসায়ী মো. বেলাল হোসেন জানান, এই বরই খুব সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে বেশ চাহিদা আছে। এর আগেও তিনি দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যার বরই বাগান থেকে পাইকারি দরে কিনে নিয়ে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেছেন। আরেক ব্যবসায়ী আলী আহমদ বলেন, 'দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যার বরই বাগান দেখে দরদামে মিলে গেলে পুরো বাগানই কিনে নেবো।'

প্রতিবেশী মংক্য চিং মারমা জানান, তিনি নিজেও বাগান মালিক। এলাকার সবাইকে দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যার বরই বাগানের প্রশংসা করতে শুনেছেন, তাই দেখতে এসেছেন। তিনি এই বরই বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, 'পাহাড়ের পতিত জায়গায় ফলদ বাগান করে যুবকেরা যেমন লাভবান হচ্ছেন; ঠিক তেমনই পরিবারের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।'

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এমএম শাহ নেয়াজ বলেন, 'বান্দরবান জেলায় জুম চাষের পাশাপাশি ব্যাপকভাবে ফলদ বাগান হচ্ছে। বর্তমান মৌসুমে বরই প্রচুর আবাদ হচ্ছে। এ ফল এখানকার চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলায় বলসুন্দরী, আপেল কুল, কাশ্মীরি কুল, নারিকেল কুল প্রজাতির বেশ আবাদ হচ্ছে। এবার ১৫০০ হেক্টর জায়গায় বরই আবাদ হয়েছে।'

তিনি ফলদ বাগান লিজ না দিতে কৃষকদের অনুরোধ করেছেন। বাগানের সুষ্ঠু পরিচর্যা করার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় পরে বিক্রির আগে বালাইনাশক স্প্রে না করার পরামর্শ দেন।

নয়ন চক্রবর্তী/এসইউ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()