মৎস্যইলিশ মাছে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে: মৎস্য উপদেষ্টা
ইলিশ মাছে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে এক গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
মৎস্যইলিশ মাছে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে এক গবেষণার বরাত দিয়ে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
মৎস্যপ্রাণী খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে একটি নীতিমালা করা হবে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, প্রাণিখাদ্যের দাম কমাতে এ খাতের ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মৎস্যমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, মহিষের দই বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। মহিষ দেশের সম্পদ, কিন্তু দীর্ঘদিন অবহেলিত থেকেছে। এ অবহেলা যেন আর না হয়, সরকারের পক্ষ থেকে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
মৎস্যদেশে ইলিশ আহরণ ২০২০-২১ অর্থবছরের আগে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এরপর তা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। গত চার বছরের ব্যবধানে মাছটির উৎপাদন কমেছে নয় শতাংশের বেশি। যে কারণে এবারও বাজারে ইলিশের দাম কমছে না।
মৎস্যঅস্বাভাবিক কোনো কারণে যেন ইলিশের দাম না বাড়ে তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ইলিশের মূল্য দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মৎস্যইলিশ মাছ ধরার উৎস থেকে যদি সরাসরি বিক্রি পর্যন্ত নিয়ে আসতে পারা যায়, তাহলে দাম কমানো সম্ভব। মধ্যস্বত্বভোগীদের বাদ দিয়ে এই কাজ করতে হবে, এমন মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।