ছোটদের কৃষিছোটদের কৃষি | পর্ব ১২ | হাসিবের লাউ চারা রোপন | CropKids
হাসিবের লাউ চারা রোপন
ছোটদের কৃষিহাসিবের লাউ চারা রোপন
ভিডিওনগরকৃষির প্রয়োজন আজ শহরের অনেক মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঢাকার মালিবাগে সাততলা ভবনের ছাদে ২২০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে পরিকল্পিত ঢঙে ফল ও ফসলের বাগান তৈরি করেছেন মনির হোসেন।
ছাদকৃষিঢাকার বনশ্রী আবাসন এলাকার প্রকৌশলী দিলশাদ হোসেন তার অবসর জীবনকে রাঙিয়ে তুলেছেন ছাদকৃষির মাধ্যমে।
ছাদকৃষিশহরের বাড়ি বা আঙিনায় শুধু ফল ফসল উৎপাদন কিংবা সবুজের আশ্রয়ের খোঁজার প্রয়াসে নয় বরং নগরে বসেও পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়নে ভালোবাসা ও সম্পৃতির বন্ধন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে ঘরোয়া ফসলি উদ্যানগুলো। ফলে নাগরিকদের মাঝে পারস্পারিক বন্ধন ও ভাগাভাগির দারুণ এক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে ছাদকৃষি আয়োজন।
ছাদকৃষিকক্সবাজারের উত্তর রুমালিয়ারছড়ার তরুণ রাসেল উদ্দিন তার পাঁচতলা ভবনের ছাদে গড়ে তুলেছেন একটি দৃষ্টিনন্দন ছাদকৃষি। ব্যবসার ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন দুই ঘণ্টা সময় দিয়ে তিনি নিজের কৃষি শখকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। রাসেলের ছাদজুড়ে রয়েছে রকমারি সবজি, ফল এবং জৈব কৃষির চর্চা। প্যাশন ফলের মতো স্বাস্থ্যসম্মত ফল থ
ছাদকৃষিরংপুরের কামালকাঁচনা পাড়ার কামরুল আহসান বিপ্লব তার একতলা বাড়ির ২,১০০ বর্গফুট ছাদকে রূপান্তরিত করেছেন এক সবুজ কৃষিক্ষেত্রে। চার বছর ধরে তিনি গণমাধ্যমে দেখে পাওয়া অনুপ্রেরণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তার ছাদকৃষি শুধু সবজি ও ফসল উৎপাদনে নয়, বরং জৈব পদ্ধতিতে কৃষির নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। ছাদকৃষিতে রোগবা
ছাদকৃষিমিরপুরের লাকী রহমান ছাদকৃষির মাধ্যমে বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করছেন। একসময় শখের বশে শুরু করা সবুজায়ন এখন তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অল্প জায়গায় পরিকল্পিত এই ছাদকৃষিতে তিনি ফল, সবজি, আর অরগানিক ফসল উৎপাদন করছেন, যা তার পরিবারের খাদ্য চাহিদার বড় অংশই পূরণ করছে। এই উদ্যোগ শুধু তার নিজের নয়, বরং পরিবেশের জ
ছাদকৃষিডা. আব্দুল্লাহ-হেল বাকী খান, একজন চিকিৎসক হয়েও আফতাব নগরের নয়তলা ভবনের ছাদে তিন স্তরে ছাদকৃষি পরিচালনা করছেন। তিনি তার ২,৬০০ বর্গফুট ছাদের জায়গায় সতেজ শাকসবজি, বিষমুক্ত ফলমূল, ও মাছ উৎপাদন করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি পরিবার ও প্রতিবেশীদের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করছেন। ছাদকৃষির মাধ্যমে ঘরোয়া
ছাদকৃষি২২০০ বর্গফুটের এই ছাদে ফল ফসল আর উদ্ভিদের যথেষ্ট প্রাচুর্য। আম, পেয়ারা, লেবু থেকে শুরু করে নানা রকমের সবজি আর রকমারি ফুল। সবমিলে দারুণ সাজানো গোছানো ও পরিপাটি এক আয়োজন। ২০১২ সালে এখানে কৃষির চর্চাটি শুরু করলেও উদ্যোক্তা মুসলিমা বেগম পারিবারিক কারণে ছোটবেলা থেকেই কৃষি অনুরাগী।
ছাদকৃষিচাকরির পাশাপাশি নাগরিক জীবনে ছাদকৃষি মনোযোগের প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে অনেকের কাছে। কেউ কেউ ফল ফসল প্রাপ্তির পাশাপাশি গাছ ও প্রকৃতির নেশায় পড়েছেন। তারা নগর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও অবদান রাখছেন।