পরিবেশধান হারিয়ে হাওরজুড়ে কৃষকের বোবাকান্না
• বৃদ্ধি পাচ্ছে সব নদীর পানি • জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা• জলাবদ্ধতার কবলে ৭ হাজার হেক্টর জমির ধান• পুরোপুরি নষ্ট ৩ হাজার হেক্টরের ধান
পরিবেশ• বৃদ্ধি পাচ্ছে সব নদীর পানি • জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা• জলাবদ্ধতার কবলে ৭ হাজার হেক্টর জমির ধান• পুরোপুরি নষ্ট ৩ হাজার হেক্টরের ধান
ফসলমৌলভীবাজারে অব্যাহত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে বোরো ধান। জেলার বেশিরভাগ পাকা ধান এখন পানির নিচে। ফসল ঘরে তুলতে না পাড়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
পরিবেশজলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে দীর্ঘদিন ধরেই উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা লড়ছে লবণাক্ততার সঙ্গে। ঘূর্ণিঝড়, ভাঙা বেড়িবাঁধ আর জোয়ারের পানিতে বারবার কৃষি জমি নষ্ট হওয়ার পর নানা উদ্যোগে যখন চাষাবাদ কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক সেইসময় আশাশুনি উপজেলায় রাতের আঁধারে স্লুইসগেট খুলে লোনাপানি প্রবেশ করানোর ঘটনা
মৎস্যসিরাজগঞ্জের তাড়াশ জুড়ে তিন ফসলি ধানি জমিতে চলছে অবাধে পুকুর খনন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে 'ম্যানেজ' করে আইনের তোয়াক্কা না করেই ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছে। যত্রতত্র পুকুর খননের ফলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে হাজার হাজার বিঘা জমি স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছে।
পরিবেশমৌলভীবাজারে আমন ধান আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে জেলার অন্যতম বড় হাওর কাউয়াদীঘিতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে আবাদি জমি আর বীজতলা। ফসল হারানোর শঙ্কায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
ফসলটানা তিন মাসের ভারী বৃষ্টিতে যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারানপুর ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার বিঘা কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত ১০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ মাত্র আধা কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ করলেই ওই পানি নিষ্কাশন সম্ভব।
ফসলবৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বেড়ে কুড়িগ্রামের উলিপুর ও রাজারহাট উপজেলায় বি‌ভিন্ন চরে তলিয়ে গেছে বাদামসহ বিভিন্ন ফ‌স‌লের ক্ষেত। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে কোথাও কোথাও তোলা হচ্ছে অপরিপক্ব বাদাম।
ফসলভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতায় যশোরের অভয়নগরে প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সরকারি সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন করা হলেও উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও নওয়াপাড়া পৌর এলাকার কিছু অংশ ধানচাষের উপযোগী হয়নি বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এনে সহয
শাকসবজিপাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে যেদিকে চোখ যায় মাঠজুড়ে চোখে পড়বে শিমের ক্ষেত। শিমের সবুজ লতা-পাতার মাঝে গোলাপি সাদা ফুল যে কারো নজর কাড়বে। এবার আগাম শিমে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলেন ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের কৃষকরা। কিন্তু টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে কৃষকের সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। শত শত হেক্টর শিমে
মৎস্যচুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জিকে প্রকল্পের প্রধান খালের পাড় ভেঙে কয়েক হাজার হেক্টর জমির আমন ধান প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বসতবাড়িতেও উঠেছে পানি। পানিতে ভেসে গেছে জাগের পাট ও পুকুরের মাছ।
পরিবেশসুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের সোনালী ধান। চোখের সামনে কষ্টের ধান তলিয়ে যাওয়ায় কাঁদছেন কৃষকরা। অনেকেই আবার পানির নিচ থেকে আধাপাকা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। তবে এরইমধ্যে প্রায় কোটি টাকার ধান পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
শাকসবজিপাবনার সাঁথিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সেচ খালের অরক্ষিত স্লুইস গেট দিয়ে পানি ঢুকে শতাধিক বিঘা জমির পেঁয়াজ, ঢ্যাঁড়শ, ভুট্টা ও গমক্ষেত নষ্ট হয়েছে। আরও শতাধিক বিঘা জমি হুমকির মুখে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জমির ফলন অর্ধেকের নিচে নেমে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
ফসলটানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুড়িখালি বিলের প্রায় ৫০০ বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখায় ওই বিলটি গত প্রায় এক মাস জলাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সময়মতো জমি চাষ করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন দরিদ্র কৃষক ও জমির মালিকর