ফসলসার মজুতে ঘাটতি নেই, গ্যাস-জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নানা উদ্যোগ
দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
ফসলদেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
রান্নাবান্নাসকালে গোয়ালঘর পরিষ্কার করার পর যে গোবর একসময় ফেলে দিতে হতো, সেটিই এখন একটি পরিবারের রান্নার জ্বালানি। আবার সেই গোবর প্রক্রিয়াজাত করার পর পাওয়া যাচ্ছে জমির জন্য জৈব সার। অর্থাৎ একই সম্পদ থেকে মিলছে দুই ধরনের ব্যবহার। এতে কাঠ-খড় কেনা বা সংগ্রহের ঝামেলা কমছে, রান্নার খরচ বাঁচছে; পাশাপাশি রাসায়নিক সারের
লাইভস্টকদুগ্ধ উৎপাদন খামারে ছোট-বড় মিলিয়ে ২২টি গরু আছে। একই সঙ্গে গোবর সংরক্ষণ করে বায়োগ্যাসের সাহায্যে উৎপাদিত গ্যাসেই চলে দৈনন্দিন রান্নার কাজ। মেহমান এলেও বাড়তি গ্যাসের জোগান দিতে হয় না। ২০ জন লোকের রান্নার কাজও চলে বায়োগ্যাসের মাধ্যমেই।
লাইভস্টকদেশের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে পোল্ট্রি শিল্প। বর্তমানে এ শিল্পে বিনিয়োগ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। অর্ধকোটি লোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান এ শিল্পে। সস্তায় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের উৎস। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এই শিল্পের বড় চ্যালেঞ্জ। তবে পোল্ট্রির বর