সাভারের আশুলিয়াতে নির্মানাধীন বাড়ির উপরে ৪৩ বর্গফুটের ছাদকৃষি। উদ্যোক্তা সজিব ও রাজিব দুই ভাই। তারা এই সুরম্য বাড়ি নির্মাণের আগ থেকেই কৃষিকে মনেপ্রাণে লালন করতেন। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাড়িতে মোটাদাগে কৃষি ও সবুজের অস্তিত্ব রাখবেন। কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে কৃষির সান্নিধ্যে থাকার ইচ্ছে ছিল অনেক আগে থেকেই।
সুবিশাল ছাদ সবুজের আস্তরণে ঢাকা। সন্নিবেশ ঘটেছে শতরকম ফলমুলের। এসবের মাঝে রয়েছে বহু ধরনের বিলুপ্তপ্রায় গাছের সংগ্রহ।
দুই ভাইয়ের মধ্যে সজিব মাতবরের আগ্রহটি একটু বেশি। মুলত সেই এর মুল উদ্যোক্তা। তার নেশাতেই এখানে যুক্ত হয়েছে জাপানি মিয়াজাকি, বারোমাসিসহ বিভিন্ন ফলমুল।
প্রাণ প্রাচুর্যময়, বৃক্ষশোভিত এই ছাদকৃষি, যত দিন যাচ্ছে তত সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে। দিনের অনেকটাই সময় এখানেই কাটান কৃষি অন্ত্রপ্রাণ সজিব। তিনি বলছিলেন, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ছায়াঘেরা এই ছোট্ট পরিসরটিই দারুণ আত্মবিশ^াস জুগিয়েছে গোটা পরিবারকে।
তবে এই অল্প সময়ের অভিজ্ঞতায় বিভিন্ন উদ্ভিদের চারা বিষয়ে তার কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে। বিশেষ করে সঠিক চারা নির্বাচনের ব্যাপারে উদ্যোক্তাদের যতেষ্ট সচেতন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। তরুণ এই ছাদকৃষি উদ্যোক্তা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসে কিংবা দূষিত পরিবেশ সুরক্ষায় ছাদকৃষির বিকল্প নেই।





মন্তব্য
(০)