পৌনে ৮০০ বিঘা জমিতে কৃষি খামার গড়েছেন হযরত আলী নামের এক তরুণ উদ্যোক্তা। শেরপুর সদরে চার খ- জমিতে তার ওই বিশাল খামার। প্রান্তিক কৃষকের সন্তান হিসেবে কঠিন চড়াই উৎরাই পেরিয়ে তাকে পৌঁছতে হয়েছে আজকের জায়গায়।
বাল্যবেলায় তিন বেলার খাবারও জোটেনি ঠিকমতো। কাজের সন্ধানে নামতে হয়েছে রাস্তায়। ফুটপাতের হকার থেকে শুরু করে গার্মেন্টস শ্রমিক, শ্রমঘন এমন অনেক পেশাতেই যুক্ত হতে হয়েছে। একটি ছোট মুদি দোকানকে ঘিরে কয়েক বছরে পাল্টে গেছে হযরত আলীর দিন। এখন ঢাকার যাত্রাবাড়ি ধলপুরের মুদি মোকামের বড় মহাজন হযরত। তিনিই জন্মভূমি শেরপুর সদরে গড়ে তুলেছেন বিশাল কৃষি খামার।
শেরপুর সদরের জংগলদিতে ১’শ ৩৭ বিঘা, রঘুনাথপুরে ১শ’ ৬৭ বিঘা, বাদশালাতে ১শ’ ৫৩ বিঘা আর রৌহায় ৩’শ ১৭ বিঘা। সবই মিশ্র ফল বাগান। বাগানের আয়োজন আর নিসর্গ পরিকল্পনা ইউরোপ আমেরিকার পারিবারিক খামারগুলোর মতো। এখানে রয়েছে নার্সারি ও মাছ চাষ, জৈব সার, পোল্ট্রি, দুগ্ধ ও প্রাণি সম্পদের খামার। হযরত বলছেন, গণমাধ্যমই তাকে টেনে এনেছে কৃষিতে।
কৃষি নিয়ে বহুদূর যাবার স্বপ্ন হযরতের। তার এই স্বপ্ন পথে যুক্ত হয়েছে বহু মানুষ। তাদের জীবনেও আলোর সন্ধান দিয়েছে এই উদ্যোক্তা।





মন্তব্য
(০)