আমাদের নিয়মিত গণমাধ্যম তৎপরতার ভেতর দিয়েই আমরা কাতারের কৃষি অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। শেষ আমরা গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে আল সুলাইতিন কৃষি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে যাই। তখন ফেব্রুয়ারি মাস। চলছে নতুন নতুন সুবিস্তৃত গ্রিন হাউজ তৈরির কাজ। আগের চেয়ে বহুগুণে বেড়েছে উৎপাদন। তার মানে কাতারের রাজধানী দোহা ও আশপাশ এলাকায় প্রতিদিনের ফুলের চাহিদার পুরোটাই সিংহভাগ যোগান দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর সঙ্গে শহরের সকল ল্যাণ্ড স্কেপিং এর মূল যোগানদারও প্রতিষ্ঠানটি।
বলা বাহুল্য কাতার সেই এক দশক আগের সেই রুক্ষতা থেকে বেরিয়ে আসছে। তবে দশ বছর আগে সেখানকার নীতি নির্ধারকরা অল্পদিনেই খাদ্য আমদানি থেকে বেরিয়ে আসার স্বপ্ন দেখেছিল, সেখান থেকে তারা খুব বেশি এগোতে পারেনি। আগে ৯০ ভাগ খাদ্য আমদানি হতো, এখন হয়তো সেখান থেকে কিছুটা কমেছে।
আসি আল সুলাইতিনের কৃষি উৎপাদন প্রসঙ্গে। উর্দ্ধমুখি সম্প্রসারণ আ ভার্টিকাল এক্সপানশনের নানান পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে এখানে।





মন্তব্য
(০)