সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে যে রকমারি ফল উৎপাদন হচ্ছে তার একটা ক্ষুদ্র অংশের চর্চা ছাদকৃষিতেও দেখতে পাই। পেয়ারা, বারোমাসি আম, ড্রাগন, মাল্টা, কমলাসহ রকমারি উচ্চমূল্যের নতুন নতুন ফল উৎপাদন হচ্ছে ছাদকৃষিতে।
সচেতন নাগরিকরা এসব উৎপাদন বেশ উপভোগ করছেন। এই ধারাবাহিকতায় এবার ছাদকৃষি অনুশীলনে যুক্ত হলো আপেল। উদ্যোক্তা নুরুজ্জামান মুন্না পরীক্ষামূলকভাবে ১০টি গাছে আপেল উৎপাদন করছেন।
নুরুজ্জামান মুন্না প্রায় ৩ দশক ধরে যুক্ত ছাদকৃষি চর্চার সঙ্গে। ১৯৯৬ সালে বাড়ি নির্মাণের পরই ছাদে বিভিন্ন ধরনের ফল ফসল উৎপাদন শুরু করেন তিনি। তার দাবি, পারিবারিকভাবেই তিনি কৃষি অনুরাগী।
৮ হাজার বর্গফুট আয়তনের ছাদে ১২৮ প্রজাতির ফল ফসল উৎপাদন হচ্ছে। একেক পাশে একেক ধরনের ফসল। কোনোপাশে সবজি আবার কোনো পাশে ফল। সবমিলে এটি এখন উৎপাদনমুখি এক কৃষি আয়োজন।





মন্তব্য
(০)