পাখির চোখে দেখলে এই বাড়িটি অন্যসব বাড়ি থেকে একটু আলাদা। ৭তলা ভবনের উপরে দাঁড়ানো বড় বড় আকারের গাছ। যার সবুজ ছায়ায় অনেকটাই ঢাকা পড়েছে ইট-পাথরের সব আয়োজন। এটিই যেন বাড়িটির মূল অলংকার। নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান গত ১৪ বছর ধরে সাজিয়েছেন এটি। জেনে বিস্মিত হলাম, এই উদ্যোক্তা তিনদশক আগে পত্রিকায় প্রকাশিত চাষবাস বিষয়ক আমার নিয়মিত কলাম ‘কৃষি কৌশল’ পড়ে রপ্ত করেছেন ফসল উৎপাদনের নানা উপায়।
২ হাজার বর্গফুট আয়তনের তিন স্তর বিশিষ্ট এই আয়েজনে তিনশোরও অধিক গাছগাছালি রয়েছে। যা থেকে মিটছে পারিবারিক সবজি চাহিদার প্রায় সবটুকু।
এই আয়োজনের ভিন্ন একটি দিক হলো সুপ্রশস্ত বেডে মাটি ভরাট করে উৎপাদন করা হচ্ছে নানারকম সবজি আর কলা। মাটিকে উৎকৃষ্টতা ধরে রাখতে ব্যবহার করা হচ্ছে জৈব সার।
এখানে সার্বক্ষণিক সহযোগিতায় যুক্ত আছেন রুস্তুম আলী। তার সঙ্গে কথা হলো ফল ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যার বিষয়ে।
ফসলের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে আরও কিছু ব্যাখ্যা করলেন উদ্যোক্তা জিয়াউল আহসান।





মন্তব্য
(০)