পেয়াজ এক স্পর্শকাতর কৃষিপণ্য। বাঙালি জীবনে এর অপরিহার্যতা যেমন অস্বীকার করার উপায় নেই; একইভাবে এই পেয়াঁজের ঝাঁজ থেকেও নেই মুক্তি মেলার সুযোগ। এই সপ্তাহে আবার পেঁয়াজ উঠে এসেছে খবরে। ভোক্তা পর্যায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়লে সেটি খবর হবে, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু কৃষক পর্যায়ে পণ্যের দাম একেবারে পড়ে গেলেও সেটি খবর হয় না। যাহোক ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়লে কৃষক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লাভবান হয় না।
পেয়াজ এক স্পর্শকাতর কৃষিপণ্য। বাঙালি জীবনে এর অপরিহার্যতা যেমন অস্বীকার করার উপায় নেই; একইভাবে এই পেয়াঁজের ঝাঁজ থেকেও নেই মুক্তি মেলার সুযোগ। এই সপ্তাহে আবার পেঁয়াজ উঠে এসেছে খবরে। ভোক্তা পর্যায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়লে সেটি খবর হবে, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু কৃষক পর্যায়ে পণ্যের দাম একেবারে পড়ে গেলেও সেটি খবর হয় না। যাহোক ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়লে কৃষক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লাভবান হয় না।
পেঁয়াজের ঝাঁঝে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে প্রতি বছর। কৃষক আর ভোক্তা দুপক্ষই ধাক্কা খান বাজারের কাছে গিয়ে। সংকটের কারণ খুঁজতে সবাই পৌঁছেন কৃষকের কাছে। ভরা মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকের প্রতিক্রিয়া মিশ্র।
সরকারের লক্ষ্য চার বছরে পেঁয়াজ উৎপাদনের স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জনের। মন্ত্রী বলছেন, লক্ষ্য পুরণে অগ্রসর হওয়া গেছে অনেকটা।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, জাত উন্নয়নের দিকেও এসেছে বেশ খানিকটা সফলতা। মূল মৌসুমের বাইরেও গ্রীষ্মকালীন ও মুড়িকাটা পেয়াজ উৎপাদন নিয়েও আশার কথা শোনাচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
কিন্তু কৃষক থেকে শুরু করে সকল পক্ষই চেয়ে আছে বাজারের দিকে। তাদের মতে, স্থানীয় বাজার থেকে শুরু করে রপ্তানী বাণিজ্য পর্যন্ত সবখানে নীতিগত উদ্যোগ ও শৃংখলা রক্ষার ওপর নির্ভর করছে লক্ষ্যপুরণ।





মন্তব্য
(০)