সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

বিন্না ঘাস দিয়ে ঢাল ও খাল রক্ষার পরিকল্পনা, কমিটি গঠন

পতিত জমিতে ছড়িয়ে থাকা বিন্না ঘাস কোন কোন প্রকল্পে ব্যবহার করা যায়, তা পর্যালোচনায় সরকার একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে।

পরিবেশ

বাংলাদেশের মাঠে-ঘাটে ও পরিত্যক্ত জমিতে ছড়িয়ে থাকা বিন্না ঘাসকে ব্যাপক হারে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই ঘাস কোন কোন প্রকল্পে ব্যবহার করা যায় তা পর্যালোচনার জন্য সোমবার একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ব্যবহারের একটি গাইডলাইন তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিন্না ঘাসের ইংরেজি নাম ভেটিভার। গ্রামাঞ্চলে কোথাও কোথাও একে বেন্না ঘাস, খসখস কিংবা ছন নামেও ডাকা হয়। বহুবর্ষজীবী এই গুল্মজাতীয় ঘাস লম্বা সরু পাতা নিয়ে ঘন ঝোপের মতো বেড়ে ওঠে এবং সাধারণত দেড় থেকে তিন মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।

এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য শিকড়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, যিনি প্রায় দুই দশক ধরে এই ঘাস নিয়ে গবেষণা করছেন, বলছেন, "এই ঘাসের শেকড়গুলো অত্যন্ত লম্বা ও শক্তিশালী হয়। শেকড় দুই থেকে তিন মিটার কখনো কখনো চার মিটার পর্যন্ত মাটির ভেতর ভেদ করতে পারে।"

সেই শিকড়ই প্রকৌশল কাজে ব্যবহার হয়। "এই ঘাসের লম্বা মূল বা শেকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে ঢুকে, মাটিকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে রাখে। যে কারণে প্রকৌশল বিদ্যায় এই ঘাস ব্যবহার করে রাস্তা ঘাট, পাহাড় ধ্বস, নদীর ভাঙনও রক্ষা করা হয়," বলছিলেন অধ্যাপক ইসলাম। বিভিন্ন দেশে পাহাড়ের ক্ষয়রোধ ও ধস ঠেকাতে পার্শ্বঢালে এই ঘাস লাগানো হয়। সরকারের গঠিত কমিটিতেও তাকে যুক্ত করা হয়েছে।

খাল খননের কর্মসূচির সঙ্গেই বিষয়টি জড়িয়ে গেছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমান সরকার দেশজুড়ে খাল খননের কার্যক্রম শুরু করেছে, আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন বৃষ্টির সময় এই খালগুলো ভরাট হয়ে যাবে। বাঁধ রক্ষা ও খাল ভরাট রোধে বিন্না ঘাসই সাশ্রয়ী ও টেকসই বিকল্প হতে পারে বলে তাদের মত।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পাহাড়ধস ঠেকানোর কাজেও বৈজ্ঞানিকভাবে এই ঘাস ব্যবহারের কথা বলছেন তারা।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এই ঘাসের শিকড় ও অন্যান্য অংশ দামি সুগন্ধি তৈরিসহ নানা কাজে ব্যবহার হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রিন্সিপাল এক্সপেরিমেন্টাল অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, "এই ঘাস দেখতে সাধারণ হলেও এর ক্ষমতা অসাধারণ।"

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()