সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

উত্তরে ভারী বৃষ্টির আভাস, বন্যায় প্লাবিত হতে পারে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল

২১ থেকে ৩০ জুন আগামী ১০ দিন দেশের উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে সামগ্রিকভাবে ভারী বৃষ্টিপাতসহ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পরিবেশ

২১ থেকে ৩০ জুন আগামী ১০ দিন দেশের উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে সামগ্রিকভাবে ভারী বৃষ্টিপাতসহ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

ফলে আগামী সাতদিনে উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় ভুগাই-কংস ও সোমেশ্বরী নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

রোববার (২১ জুন) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পানি সমতল সম্পর্কিত সাপ্তাহিক ধারণাগত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভারত আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে, ২১ থেকে ২৮ জুন, অথবা সন্নিহিত সময়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয় প্রদেশে সামগ্রিকভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

এসব স্থানে বিগত সাতদিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী ১০ দিনে (২১ থেকে ৩০ জুন) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে সামগ্রিকভাবে ভারী বৃষ্টিপাতসহ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসময়ে স্থানভেদে সর্বোচ্চ ৩৫০ থেকে ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে।

উত্তরাঞ্চলের নদী অববাহিকা (রংপুর বিভাগ): গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ৭ দিন সময়বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধিসহ সামগ্রিকভাগে বাড়তে পারে। এসময়ে ওই নদীসমূহ নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নদী অববাহিকা (সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ): গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম ও ভুগাই নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে সারিগোয়াইন, যাদুকাটা ও কংস নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে।

ওই নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ৭ দিন সময়বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধিসহ সামগ্রিকভাবে বাড়তে পারে। এসময়ে ভুগাই-কংস ও সোমেশ্বরী নদীসমূহ নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় নদী অববাহিকা (চট্টগ্রাম বিভাগ): গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী ও হালদা নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে ফেনী, হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহরী, সেলোনিয়া ও গোমতী নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে। ওই নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ৭ দিন সময়বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধিসহ সামগ্রিকভাবে বাড়তে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান জাগো নিউজকে বলেন, বাংলাদেশে গত দুদিন ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সময় দেশের তৎসংলগ্ন উজানে ও মেঘালয়েও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিছু জায়গায় ৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে আগামী ১০ দিনে ৩ বিভাগে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি বলেন, ফ্ল্যাশ ফ্লাডও (পাহাড়ি ঢল) হতে পারে। তবে সেটি নির্ভর করবে বৃষ্টি কী পরিমাণ হচ্ছে তার ওপর। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()