সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৪°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯৩%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

যে গ্রামের সবাই দড়ির উপর দিয়ে হাঁটেন

বিভিন্ন সার্কাস অনুষ্ঠানে নিশ্চয়ই এমন কোনো ব্যক্তিকে দেখেছেন, যিনি দক্ষতার সঙ্গে উঁচুতে বেঁধে রাখা দড়ির উপর দিয়ে হাঁটছেন! এমন দৃশ্য দেখে সবার বুকের মধ্যেই যেন কেঁপে ওঠে!

বিভিন্ন সার্কাস অনুষ্ঠানে নিশ্চয়ই এমন কোনো ব্যক্তিকে দেখেছেন, যিনি দক্ষতার সঙ্গে উঁচুতে বেঁধে রাখা দড়ির উপর দিয়ে হাঁটছেন! এমন দৃশ্য দেখে সবার বুকের মধ্যেই যেন কেঁপে ওঠে!

কখন না জানি ওই ব্যক্তি পা ফসকে পড়ে যান, এই ভয় আসে সবার মনেই। তবে উপস্থিত সবাইকে চমকে দিয়ে ঠিকই দড়ির উপর দিয়ে দিব্যি হাঁটেন এই পারফর্মার।

এমন ভিন্নধর্মী অনুশীলন রপ্ত করা বেশ কঠিন। তাই তো যারা এমন অসম্ভবকে সম্ভব করতে জানেন, তাদেরকে দেখতে টিকিট কাটার প্রয়োজন পড়ে।

তবে বিশ্বের এমন এক গ্রাম আছে, যেখানকার ছোট থেকে বড় সবাই দড়ির উপর দক্ষতার সঙ্গে হাঁটতে জানেন। এমনকি চোখ বেঁধে দিলেও তারা স্বাভাবিকভাবেই দড়ির উপরে হাঁটতে পারেন।

গ্রামটির নাম হলো টিসোভ্করা-১। রাশিয়ার দাগেস্তান স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্রের পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা ছোট্ট গ্রাম। এটিই বিশ্বের একমাত্র গ্রাম যেখানকার সব বাসিন্দারাই দড়ির উপর দিয়ে হাঁটেন।

এই গ্রামবাসীদের প্রতিভা দেখতে অনেক পর্যটকরাই সেখানে ভিড় জমান। এ কারণে গ্রামটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘টাইটরোপ ভিলেজ’। গ্রামবাসীদের নেশা ও পেশা হিসেবে এই শিল্প সেখানে টিকে আছে ১০০ বছর ধরে।

তবে সেখানে টাইটরোপে হাঁটার প্রচলন ঘটলো কীভাবে তা জানা নেই কারও। তবে দীর্ঘ ১০০ বছর ধরে এই খেলা চলমান আছে বলে নিশ্চিত করেন সেখানকার বয়স্করা।

অবাক করা বিষয় হলেও সত্যিই, এই গ্রামের ছোট শিশুরাও নিখুঁতভাবে পেশাদারের মতো উঁচুতে বেঁধে রাখা দড়ির উপর দিয়ে হাঁটতে পারে। আসলে ছোটবেলা থেকেই পরিবারের বড়দের হাত ধরে শূন্যে বেঁধে রাখা দড়ির উপর দিয়ে হাঁটা শেখে শিশুরা।

এই গ্রামে ছোট-বড় সবাই কমবেশি আশেপাশে কিংবা দেশের বাইরেও বিভিন্ন সার্কাস অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮০ সালের দিকে এই গ্রামের জনসংখ্যা ছিলো ৩ হাজার। যা কমতে কমতে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪০০ জনে।

জনশ্রুতি আছে, টিসোভ্করা-১ গ্রামের পুরুষরা তাদের প্রেমিকার কাছে দ্রুত পৌঁছানোর উপায় হিসেবে টাইট্রোপ হাঁটার কৌশল আয়ত্তে আনেন। কারণ এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড় অতিক্রম করা বেশ কষ্টকর। তাই আশেপাশের পাহাড়ের গ্রামগুলোতে যাওয়ার শর্টকাট উপায় হিসেবে টাইটরোপের ব্যবহার বাড়ে।

তবে খুব কম মানুষই এই রোমান্টিক তত্ত্ব বিশ্বাস করেন। তবে স্থানীয়দের মতে, একসময় সেতু না থাকায় নদী ও খাল পার হওয়ার একটি কার্যকর উপায় ছিল এই টাইটরোপ। আবার অন্যরা দাবি করেন, যাদের চাষের জন্য জমি নেই, শস্য বা খাবার নেই তারা পরিবারকে খাওয়ানোর জন্য এই খেলা দেখিয়ে অর্থ উপর্জান করতেন।

ইতিহাসের তথ্যমতে, ঐতিহ্যবাহী টাইটরোপে হাঁটার চ্যালেঞ্জ ১৯ শতকের দিকে দাগেস্তানিতে বিখ্যাত হয়ে ওঠে। তখন থেকেই হয়তো এই খেলার জনপ্রিয় বেড়েছে। টিসোভ্করা-১ গ্রামটি এখন ‘রোপ-ওয়াকিং স্কুল’ হয়ে উঠেছে।

যেখানে ছোট শিশুদেরকে সার্কাস পারফর্মার হওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারা বিস্তৃত রাশিয়ান সাম্রাজ্য জুড়ে জনসাধারণকে বিনোদন দেয়। এমনকি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও জিতে নেয়।

তবে গ্রামবাসীরা এখন আফসোস করে বলেন, টাইটরোপ হাঁটার গৌরবময় দিনগুলো অনেক আগেই চলে গেছে। বর্তমানে নতুন প্রজন্মরা শিক্ষিত হয়ে শহরে গিয়ে চাকরি বা ব্যবসা করছেন। তবে সবাই কমবেশি নিজ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পচর্চা করেন।

রামাজান গাজিয়েভ নামক এই গ্রামের এক শিক্ষক জানান, সবাই দড়ির উপর দিয়ে হাঁটার কৌশল রপ্ত করতে পারেন না। এজন্য শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হয়। তাই তো গ্রামের বয়স্করাও এখন আর আগের মতো টাইটরোপ অনুশীলন করতে পারেন না।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

বিশ্ব

সম্পর্কিত খবর

স্বাস্থ্য

কীটনাশকের মাত্রা বেশি, ভারতে এক ব্যাচ জিরার গুঁড়া প্রত্যাহার; ঘরে ভেজাল চেনার ৩ পরীক্ষা

গোয়ার একটি রিসোর্ট থেকে নেওয়া এভারেস্ট ব্র্যান্ডের জিরার গুঁড়ার একটি ব্যাচে সীমার বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ায় তা বাজার থেকে তুলে নিতে বলেছে ভারতের খাদ্য নিয়ন্ত্রক এফএসএসএআই; সংস্থাটির নির্দেশিকায় আছে ঘরে ভেজাল চেনার সহজ উপায়।

এই সময়৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

ক্যানসারের চিকিৎসায় তত্ত্বাবধানে ব্যায়াম: কোলন ক্যানসারে ৮ বছরে বেঁচে ৯০%, না করলে ৮৩%

নিয়ন্ত্রিত এক গবেষণায় তিন বছর প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ব্যায়াম করা কোলন ক্যানসার রোগীদের রোগ ফেরার ঝুঁকি কম ছিল; যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গে এ কর্মসূচি স্বাস্থ্যবিমায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

অক্টোবরের শুরুতেই চিলিকায় পরিযায়ী পাখি, কলামিস্ট দেখছেন জলবায়ুর সংকেত

ডাউন টু আর্থে রঞ্জন পান্ডা লিখেছেন, ওডিশার চিলিকা হ্রদে শীতের পাখির আগাম আগমনকে উষ্ণ ও অনিশ্চিত হয়ে ওঠা হ্রদ ও আর্কটিকের পরিবর্তনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে, আর জেলেদের পর্যবেক্ষণে যুক্ত করতে হবে।

ডাউন টু আর্থ৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)