সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কৃষিজমি ও পুকুরপাড়ে যে সাপগুলো বেশি মেলে, বিষধর কোনগুলো

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফরিদ আহসান বলছেন, বাংলাদেশের সাপের ৮০ শতাংশই বিষধর নয়।

বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপ দেখলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রেই সাপটি চেনার আগেই মানুষ সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বাংলাদেশে যেসব সাপ আছে তার ৮০ শতাংশই বিষধর নয়। এসব সাপের কোনোটি মানুষের বসতবাড়ির আশপাশে থাকে, কোনোটি কৃষিজমি বা জলাশয়ে, আবার কোনোটির দেখা মেলে গাছপালা ও ঝোপঝাড়ে।

সংখ্যার হিসাবটি এরকম: বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. এম. মনিরুল এইচ. খানের 'ফটোগ্রাফিক গাইড টু দ্য ওয়াইল্ডলাইফ অব বাংলাদেশ' বইয়ে দেশে মোট ১০৫ প্রজাতির সাপ থাকার কথা বলা হয়েছে, যদিও এর মধ্যে ২৪ প্রজাতির উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত হয়নি। আইইউসিএন বাংলাদেশের ২০১৫ সালের রেড লিস্টে ৮১ প্রজাতির মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং সংস্থাটি দেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এমন ১০টি সাপের নাম জানিয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ঢোঁড়া, বৈজ্ঞানিক নাম জেনোক্রোফিস পিসকেটর, ইংরেজিতে চেকার্ড কিলব্যাক বা এশিয়াটিক ওয়াটার স্নেক। রেড লিস্টে এটি 'লিস্ট কনসার্ন' শ্রেণিতে। পুকুর, খাল, হ্রদ, ধীরগতির নদী, জলাভূমি, মাছের খামার ও ধানক্ষেতের মতো পানির কাছাকাছি পরিবেশ এদের পছন্দ। ছোট অবস্থায় এরা ব্যাঙের ডিম, ব্যাঙাচি ও পোকামাকড় খায়; বড় হলে মাছ, ব্যাঙের পাশাপাশি টিকটিকি, ইঁদুর ও ছোট পাখিও শিকার করে। ঢোঁড়া বিষধর নয়, তবে বিপদে পড়লে আত্মরক্ষার জন্য কামড় দিতে পারে।

গাছে থাকা সাপগুলোর মধ্যে পরিচিত লাউডগা বা সুতানলি। রেড লিস্টে আহেটুলা নাসুটা ও আহেটুলা প্রসিনা, দুই প্রজাতিরই স্থানীয় নাম হিসেবে লাউডগার উল্লেখ আছে এবং দুটিই অনুন্যতম সংকটাপন্ন। লম্বা, সরু ও সবুজ দেহের কারণে এরা গাছের ডালপালা ও পাতার সঙ্গে সহজে মিশে থাকে, আর টিকটিকি, গিরগিটি, ব্যাঙ ও ছোট পাখি শিকার করে। লাউডগা বিষধর না হলেও "চট করে কামড় দিয়ে ফেলে," বলছিলেন অধ্যাপক ফরিদ আহসান।

উজ্জ্বল রঙের কালনাগিনী, ইংরেজিতে অর্নেট ফ্লাইং স্নেক, বৈজ্ঞানিক নাম ক্রাইসোপেলিয়া অর্নাটা। নামে 'নাগিনী' থাকলেও এটি গোখরা বা কেউটে গোত্রের নয়। মূলত বৃক্ষচারী এই সাপ এক গাছ থেকে অন্য গাছে যাওয়ার সময় শরীর চ্যাপ্টা করে বাতাসে ভেসে কিছুটা দূরত্ব পেরোতে পারে, সেখান থেকেই ইংরেজি নামে 'ফ্লাইং স্নেক' কথাটি এসেছে।

কৃষকের জন্য এই পার্থক্য চেনা কেবল কৌতূহলের বিষয় নয়। ধানখেত, মাছের খামার ও পুকুরপাড়ে যে সাপগুলো সবচেয়ে বেশি মেলে তার অধিকাংশই নির্বিষ এবং ইঁদুর ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে রেখে ফসলের উপকারই করে। না চিনে মেরে ফেলার অভ্যাস তাই খেতের শত্রু কমায় না, বরং বাড়ায়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

গাপ্পির চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খায় দেশি তিন মাছ, গবেষণাগারের পরীক্ষায় ফল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরীক্ষায় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স দূষিত পানিতেও বিদেশি গাপ্পির চেয়ে অনেক বেশি কিউলেক্স ও এডিস মশার লার্ভা খেয়েছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)