সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

গাজীপুর থেকে চুরি যাওয়া লেমুর গুজরাটে, ডিএনএ রিপোর্ট নেই বলে ফেরানো অনিশ্চিত

সিআইডি বলছে পাচার হওয়া দুটি রিঙ-টেইলড লেমুর এখন গুজরাটের একটি বেসরকারি বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে, কিন্তু মালিকানা প্রমাণের নথি সাফারি পার্কের কাছে নেই।

পরিবেশ

গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে বছর দেড়েক আগে চুরি হওয়া দুটি 'রিঙ-টেইলড' বা ডোরাকাটা লেজের লেমুর ভারতে পাচার হয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। কর্মকর্তারা বলছেন, একাধিক হাত ঘুরে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীগুলো এখন গুজরাটের একটি বেসরকারি বন্যপ্রাণী উদ্ধার, সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পৌঁছেছে।

সেখান থেকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল পুলিশের পক্ষ থেকে। কিন্তু সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সরবরাহ করতে না পারায় লেমুর দুটি ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাচার হওয়া প্রাণী ফিরে পেতে হলে আগে প্রমাণ করতে হবে যে সেটি বাংলাদেশ থেকেই গেছে।

প্রমাণের পদ্ধতিটি বৈজ্ঞানিক। "এটা করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত ও কার্যকর একটি উপায় হলো, প্রাণিটির আগের জেনেটিক প্রোফাইল বা ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের সঙ্গে নতুন টেস্টের রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা," বিবিসি বাংলাকে বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া।

কিন্তু সেই রিপোর্টই নেই। গাজীপুর সাফারি পার্কের কর্মকর্তারা বলছেন, পাচার হয়ে যাওয়া লেমুর দুটির কোনো ডিএনএ রিপোর্ট তাদের কাছে নেই। "তবে আরেকটি লেমুরের ডিএনএ স্যাম্পল কালেক্ট করে আমরা পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছি, যার সঙ্গে ওই দুই লেমুরের রক্তের সম্পর্ক রয়েছে। সেটা একটা আশার জায়গা," বলছিলেন পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান।

প্রাণীটি বাংলাদেশের স্থানীয় নয়। রিঙ-টেইলড লেমুর মূলত আফ্রিকা মহাদেশের মাদাগাস্কার দ্বীপের বাসিন্দা; সেখান থেকে ধরে নিয়ে চোরাকারবারিরা বিভিন্ন দেশে পাচার করে, যা প্রজাতিটির অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলেছে।

বাংলাদেশে এদের আসার গল্পটিও পাচারেরই। ২০১৮ সালে বিদেশি পশু-পাখির একটি অবৈধ চালান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়ে; ম্যাকাও ও ময়ূরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সঙ্গে তখন একজোড়া রিঙ-টেইলড লেমুরও উদ্ধার করে গাজীপুর সাফারি পার্কে পাঠানো হয়। পরে সেই জোড়া আরও দুটি বাচ্চা জন্ম দেয়।

এরপরের ঘটনাক্রম দ্রুত। ২০২২ সালের শুরুতে একটি লেমুর মারা যায়, আর তার বছর তিনেকের মাথায় ২০২৫ সালের মার্চে অবশিষ্ট তিনটি লেমুর একসঙ্গে চুরি হয়ে যায়। বন্যপ্রাণীর নথিপত্র ও জেনেটিক প্রোফাইল সংরক্ষণে ঘাটতি থাকলে পাচার হওয়া প্রাণী ফেরানো কতটা কঠিন, এই ঘটনা তারই উদাহরণ।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()