সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

গাজীপুর থেকে চুরি যাওয়া লেমুর গুজরাটে, ডিএনএ রিপোর্ট নেই বলে ফেরানো অনিশ্চিত

সিআইডি বলছে পাচার হওয়া দুটি রিঙ-টেইলড লেমুর এখন গুজরাটের একটি বেসরকারি বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে, কিন্তু মালিকানা প্রমাণের নথি সাফারি পার্কের কাছে নেই।

গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে বছর দেড়েক আগে চুরি হওয়া দুটি 'রিঙ-টেইলড' বা ডোরাকাটা লেজের লেমুর ভারতে পাচার হয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। কর্মকর্তারা বলছেন, একাধিক হাত ঘুরে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীগুলো এখন গুজরাটের একটি বেসরকারি বন্যপ্রাণী উদ্ধার, সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পৌঁছেছে।

সেখান থেকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল পুলিশের পক্ষ থেকে। কিন্তু সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সরবরাহ করতে না পারায় লেমুর দুটি ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাচার হওয়া প্রাণী ফিরে পেতে হলে আগে প্রমাণ করতে হবে যে সেটি বাংলাদেশ থেকেই গেছে।

প্রমাণের পদ্ধতিটি বৈজ্ঞানিক। "এটা করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত ও কার্যকর একটি উপায় হলো, প্রাণিটির আগের জেনেটিক প্রোফাইল বা ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের সঙ্গে নতুন টেস্টের রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা," বিবিসি বাংলাকে বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া।

কিন্তু সেই রিপোর্টই নেই। গাজীপুর সাফারি পার্কের কর্মকর্তারা বলছেন, পাচার হয়ে যাওয়া লেমুর দুটির কোনো ডিএনএ রিপোর্ট তাদের কাছে নেই। "তবে আরেকটি লেমুরের ডিএনএ স্যাম্পল কালেক্ট করে আমরা পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছি, যার সঙ্গে ওই দুই লেমুরের রক্তের সম্পর্ক রয়েছে। সেটা একটা আশার জায়গা," বলছিলেন পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান।

প্রাণীটি বাংলাদেশের স্থানীয় নয়। রিঙ-টেইলড লেমুর মূলত আফ্রিকা মহাদেশের মাদাগাস্কার দ্বীপের বাসিন্দা; সেখান থেকে ধরে নিয়ে চোরাকারবারিরা বিভিন্ন দেশে পাচার করে, যা প্রজাতিটির অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলেছে।

বাংলাদেশে এদের আসার গল্পটিও পাচারেরই। ২০১৮ সালে বিদেশি পশু-পাখির একটি অবৈধ চালান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়ে; ম্যাকাও ও ময়ূরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সঙ্গে তখন একজোড়া রিঙ-টেইলড লেমুরও উদ্ধার করে গাজীপুর সাফারি পার্কে পাঠানো হয়। পরে সেই জোড়া আরও দুটি বাচ্চা জন্ম দেয়।

এরপরের ঘটনাক্রম দ্রুত। ২০২২ সালের শুরুতে একটি লেমুর মারা যায়, আর তার বছর তিনেকের মাথায় ২০২৫ সালের মার্চে অবশিষ্ট তিনটি লেমুর একসঙ্গে চুরি হয়ে যায়। বন্যপ্রাণীর নথিপত্র ও জেনেটিক প্রোফাইল সংরক্ষণে ঘাটতি থাকলে পাচার হওয়া প্রাণী ফেরানো কতটা কঠিন, এই ঘটনা তারই উদাহরণ।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)