সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

সরকারি গাছের ফল কুড়ালেও হবে জরিমানা-কারাদণ্ড!

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এক ভারতীয় নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, দেশটিতে সরকারি জায়গায় থাকা গাছ থেকে পড়ে থাকা একটি আম কুড়িয়ে নিলেও গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

ফল

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এক ভারতীয় নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, দেশটিতে সরকারি জায়গায় থাকা গাছ থেকে পড়ে থাকা একটি আম কুড়িয়ে নিলেও গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

এক্সে (সাবেক টুইটার) করা পোস্টে প্রিয়াঙ্কা সিনহা জানান, সিঙ্গাপুরে কোনো সরকারি গাছের নিচে পড়ে থাকা আম তুললে সর্বোচ্চ ৫ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা।

তার এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে ভারতীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই রাস্তার পাশের ফলের গাছ থেকে মানুষ অবাধে ফল সংগ্রহ করে থাকে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রিয়াঙ্কা সিনহা বলেন, সিঙ্গাপুরে সরকারি জায়গায় থাকা ফলগাছের ফল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে অনুমতি ছাড়া কেউ সেই গাছ থেকে ফল তুলতে বা নিচে পড়ে থাকা ফল সংগ্রহ করতে পারেন না।

তার পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনে বলেন, ভারতীয় শহরগুলোতে এমন আইন কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব। আবার অনেকে মন্তব্য করেন, সিঙ্গাপুরের কঠোর নাগরিক আইন ও শৃঙ্খলার সংস্কৃতির কারণেই দেশটি এত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল পার্কস (এনপার্কস) বোর্ডের ওয়েবসাইটেও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সরকারি জমিতে থাকা গাছ ও সেই গাছের ফল রাষ্ট্রের মালিকানাধীন। এসব গাছের অধিকাংশই এনপার্কসের তত্ত্বাবধানে থাকে।

কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি জমিতে থাকা গাছ থেকে ফল তুলতে চান বা পড়ে থাকা ফল সংগ্রহ করতে চান, তাহলে তাকে আগে এনপার্কসের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া পাবলিক পার্ক থেকে ফল সংগ্রহ করলে 'পার্কস অ্যান্ড ট্রিজ অ্যাক্ট' অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

আর যদি কেউ 'নেচার রিজার্ভ' বা 'জাতীয় উদ্যান এলাকা' থেকে ফল সংগ্রহ করেন, তাহলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে ৫০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডও হতে পারে।

এই আইন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসও কম হয়নি। এক ব্যবহারকারী মজা করে লেখেন, যদি আমাদের পোষা প্রাণী ফল কুড়িয়ে আনে তাহলে কী হবে? এর জবাবে আরেকজন লেখেন, সিঙ্গাপুরে পোষা প্রাণীকেও মালিকের অংশ হিসেবেই ধরা হয়। তাই আপনার পোষা প্রাণী যদি সরকারি গাছের ফল সংগ্রহ করে, তাহলে আইনগতভাবে সেটি আপনার কাজ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

আরেকজন মন্তব্য করেন, ওহ মাই গড! আমার ভারতই সেরা। তবে অনেকে মনে করেন, জরিমানার অঙ্ক অতিরিক্ত হলেও সিঙ্গাপুরের কঠোর আইনই দেশটির জনপরিসরকে পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখতে সাহায্য করেছে।

বিশ্বজুড়ে সিঙ্গাপুর পরিচিত কঠোর নাগরিক আইনের জন্য। পরিচ্ছন্নতা, ভাঙচুর, ময়লা ফেলা কিংবা সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহারের মতো বিষয়ে দেশটিতে কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব কঠোর নিয়মের কারণেই সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ দেশে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()