সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

সিঁড়ির নিচ থেকে অত্যন্ত বিষধর ‘মনোক্লেড কোবরা’র ৫ বাচ্চা উদ্ধার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে পাঁচটি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে পাঁচটি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় কমলগঞ্জ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে পানিশালা এলাকায় জাপান প্রবাসী মুজাহিদ আলীর বসতঘরের সিঁড়ির নিচ থেকে সাপের বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে জাপান প্রবাসী মুজাহিদ আলীর বাসতঘরের সিঁড়ির নিচে বেশ কয়েকটি সাপ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এতে বাসার সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তারা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেও কোনো সমাধান পাননি। একপর্যায়ে রাজকান্দি রেঞ্জ কর্মকর্তা তানভীর আহমদ এবং বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রাজকান্দি রেঞ্জ কর্মকর্তা তানভীর আহমদ, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখতে পান, সিঁড়ির নিচে থাকা সাপগুলো মনোক্লেড কোবরা, যা অত্যন্ত বিষধর প্রজাতির সাপ। পরে একে একে মোট পাঁচটি মনোক্লেড কোবরা সাপের বাচ্চা নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে এগুলো শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ের হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল ইসলাম বলেন, সাপের বাচ্চাগুলোকে বনে অবমুক্ত করা হবে।

মাহিদুল ইসলাম/এসআর

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()