সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

শ্রীমঙ্গলে বাসা থেকে অজগর উদ্ধার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাসা থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাসা থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

সোমবার (৮ জুন) রাত সাড়ে নয়টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের পূবাসা খান মঞ্জিলের যুক্তরাজ্য প্রবাসী মতলিব খানের বাসা থেকে এই অজগর উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনবর্জ্য ফেলার জায়গা নেই, বাতাসে ছড়াচ্ছে বিষ এক মাস পর আবারও তেঁতুল গাছের মগডালে ‌সাজেদা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে শ্রীমঙ্গল শহরের পূবাসা খান মঞ্জিলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মতলিব খানের বাসায় একটি অজগর সাপ প্রবেশ করলে বাসার সদস্যদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এরপর বাসার লোকজন বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা অজগর সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এরপর সেটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

শ্রীমঙ্গল বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অজগর সাপটি বনে অবমুক্ত করা হবে।মাহিদুল ইসলাম/কেএসআর

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()