ছয় ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত আমাদের এই দেশ। ঋতু বৈচিত্র্যের কারণে এ দেশের মাটিতে ফলে নানা রকম শাক-সবজি। তাই কৃষকেরা ঋতুভিত্তিক চাষাবাদ করেন। প্রয়োজনের তাগিদে প্রতি মাসের প্রতিটি দিনই কিছু না কিছু কৃষি কাজ করতে হয়।
এখন চলছে শ্রাবণ মাস। বর্ষাকালের দ্বিতীয় ও শেষ মাস। এই শ্রাবণ মাসে (মধ্য জুলাই-মধ্য আগস্ট) আগাম রবি সবজি যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউ, টমেটো, বেগুনের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপন শুরু করা যেতে পারে।
এ ছাড়া শ্রাবণ মাসে মুলা, পালংশাক, নটেশাক, ঢ্যাঁড়শ ও পুঁইশাক চাষ করা যায়। এমনকি শিমের বীজবপন ও লালশাকের বীজবপন করতে হবে।
আরও পড়ুন
জমি ছাড়াও ছাদ বাগানে ড্রাম বা টবে বা বেডে ভালোভাবে মাটি তৈরি করে সরাসরি বীজ বপন করে বিভিন্ন শাক চাষ করতে পারেন। প্যাকেটে, ছোট টবে অথবা সিডলিং ট্রেতে লালশাক, পালংশাক, পুঁইশাকের চারা তৈরি করে নিতে পারেন।
পাশাপাশি পরিচর্যাও করতে হয়। সে ক্ষেত্রে খরিফ-২ এর সবজি উঠানো ও পোকামাকড় দমন করতে হবে। রোপণ করা চারার পরিচর্যা, খুঁটি দেওয়া, খাঁচি বা বেড়া দেওয়া জরুরি।
বেশি ঘন করে চারা লাগালে তা আলো, বাতাস, পানি ও মাটিস্থ পুষ্টি গ্রহণের প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। তাই প্রত্যেকটি চারা সমপরিমাণ নির্দিষ্ট দূরত্বে লাগাতে হবে।





মন্তব্য
(০)