সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

সাপ ডোবানো ‘স্নেক ওয়াইন’ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে কেন এত জনপ্রিয়

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় স্থানীয় বাজারে ব্যস্ততার মাঝেই চোখে পড়বে দোকানগুলোর সামনের তাকেই সারি সারি সাজানো 'স্নেক ওয়াইন'। নাম থেকেই আন্দাজ করা যায় এর বিশেষত্ব-বোতলে মদ বা অ্যালকোহলের মধ্যে থাকবে ছোট্ট একটি সাপ যার কারণে পানীয়টিতে একটি আলাদা স্বাদ ও গন্ধের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়।

পরিবেশ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় স্থানীয় বাজারে ব্যস্ততার মাঝেই চোখে পড়বে দোকানগুলোর সামনের তাকেই সারি সারি সাজানো 'স্নেক ওয়াইন'। নাম থেকেই আন্দাজ করা যায় এর বিশেষত্ব-বোতলে মদ বা অ্যালকোহলের মধ্যে থাকবে ছোট্ট একটি সাপ যার কারণে পানীয়টিতে একটি আলাদা স্বাদ ও গন্ধের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়।

শুনে গা শিউরে উঠলেও সত্যি সত্যিই এ স্বচ্ছ বোতলগুলোতে মদের ভেতর ভাইপার প্রজাতির সাপ (মৃত) প্যাঁচানো অবস্থায় থাকে। চমকপ্রদ এ পানীয়টি দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলের ঘরে-বাইরে, অনুষ্ঠান, সরাইখানা-রেস্তোরাঁয় পরিবেশিত হয়ে আসছে। চীনের রাজবংশগুলোর চিকিৎসালয়ে ওষুধ বা প্রতিশেধক হিসেবে ব্যবহৃত এই স্নেক ওয়াইন একসময় পরিণত হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষের পছন্দের পানীয়তে এবং হয়ে উঠেছে তাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে আস্ত সাপ ডোবানো এই স্বচ্ছ অ্যালকোহল বা মদের প্রচলন চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় ঝু রাজবংশের সময়ে, ২ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে। বর্তমানে এটি ভিয়েতনাম, লাওস, থাইল্যান্ড ও চীনের দক্ষিণাঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাইস ওয়াইন বা উচ্চমানের শস্যদানা থেকে প্রস্তুতকৃত ওয়াইনে একটি সাপ ডুবিয়ে এটি পরিবেশন করা হয়। কখনো কখনো মদের ভেতর বিছা, জিনসেং বা স্থানীয় লতাপাতাও দেওয়া থাকে। মদে থাকা ইথানল সাপের ভেতর থাকা টক্সিক প্রোটিনগুলোকে ভেঙে এর বিষের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। ফলে, মদটি পান করতে কোনো ঝুঁকি থাকে না। পুরো বোতল নিতে না চাইলে ছোট বিকল্প হিসেবে আকালে ছোট গ্লাসে সাপ টুকরো করে কেটে এর রক্তসহ মদে পরিবেশন করা হয়।

ট্রেডিশনাল চীনা ওষুধ হিসেবে এর ব্যবহার শুরু হয়। চীনা ওষুধ ও উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা আগে থেকেই সাপকে একটি শরীর উষ্ণকারী ও আর্দ্রতাদূরকারী খাবার হিসেবে দেখে থাকেন। বাতের ব্যাথা, দীর্ঘস্থায়ী অবসন্নতা কমাতে ও রক্ত চলাচল বাড়াতে এ পানীয় বেশ উপকারী বলে প্রচলন রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। এ অঞ্চলের বিভিন্ন রূপকথা বা উপকথায় এ পানীয়কে প্রাকৃতিক টনিক হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে।

ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের বাইরে স্থানীয় মার্কেটগুলোতে স্নেক ওয়াইনকে মর্যাদার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এখানকার বাসিন্দারা বাড়িতে কোনো মেহমান এলে তাকে এই স্নেক ওয়াইন পরিবেশন করে সম্মানিত বোধ করাতে পছন্দ করেন। আবার বিদেশিদের কাছে স্যুভেনির হিসেবে নিয়ে যেতে বিভিন্ন ছোট ছোট বোতলেও বিক্রি করা হয় এই বিশেষ ওয়াইন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()
সাপ ডোবানো ‘স্নেক ওয়াইন’ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে কেন এত জনপ্রিয় | দা এগ্রো নিউজ