সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

রাস্তায় ফল বিক্রি করে লেখাপড়ার খরচ চালাচ্ছেন রিপন

জীবন পাল

ফল

জীবন পাল

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালীঘাট রোডের পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভ্যানগাড়িতে ফল বিক্রি করেন মো. রিপন মিয়া। মা মারা যাওয়ার কিছুদিন পরই তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে আলাদা সংসার শুরু করেন। এরপর থেকেই জীবনযুদ্ধে নেমে পড়তে হয় রিপনকে।

পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ থাকায় নিজ খরচে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে নিতে শুরু করেন ফল বিক্রি। ক্লাস সিক্স থেকে এসএসসি পর্যন্ত ফল বিক্রি করে নিজের পড়ালেখা চালিয়েছেন রিপন। এরপর উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডিও তিনি পেড়িয়েছেন নিজের ফল বিক্রির টাকা দিয়েই। ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ করার ইচ্ছে তার।

৬ বছর বয়স থেকেই ব্যবসায় নামেন রিপন। ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি আয়ের আশায় টাইলসের কাজও করেন। তবে ফল বিক্রির ব্যবসা তাকে বেশি আকৃষ্ট করে। ২ বছর বয়স থেকেই রিপন বাবা-মা হারা। বড় হয়েছেন দাদা বাড়িতে। দাদা-দাদির মৃত্যুর পর চাচার সংসারে বড় হয়েছেন।

আরও পড়ুন

৩ ভাই ও এক বোনের মধ্যে রিপন দ্বিতীয়। বড় ভাই সবজি দোকানে সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। আর ছোট বোন পড়াশোনা করছেন একটি মাদ্রাসায়। রিপন বলেন, 'ছোটবেলায় অতিরিক্ত দুষ্টুমি করায় আমাকে দাদাবাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই মা মারা যান। তারপর বাবা নতুন বিয়ে করেন।'

শহরের সিন্দুরখান রোডে ২ রুমের বাসা নিয়ে একাই থাকেন তিনি। ফলবিক্রি করেই নিজের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলের ব্যবসা করে নিজ খরচে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রিপনকে প্রতিমাসে ঘর ভাড়া হিসেবে গুনতে হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

বিদ্যুৎ বিলসহ যা দাঁড়ায় ৪ হাজার টাকায়। ফল বিক্রি করে দৈনিক ২-৮ হাজার টাকা আয় হয়। তার খাওয়া ও নিত্য প্রয়োজনীয় খরচ বাবদ প্রতিদিন খরচ হয় ৪০০ টাকা।

মৌসুমভেদে দেশি-বিদেশি ফল ভ্যানগাড়িতে সাজিয়ে রাস্তায় বসেন রিপন। কমলা, মালটা, আপেল, আঙুর ও কলা হলো রিপনের দোকানের নিয়মিত বিক্রির ফলের তালিকা। এর বাইরে লিচু, আম, কাঁঠাল মৌসুমে এসব ফল সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে।

সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তার ফল বিক্রি চলে। রাতে দোকানপাট বন্ধ করে বাসায় ফেরা মানুষ ফল কিনতে ঢুঁ মারেন তার দোকানে। কালীঘাট রোড, সিন্দুরখান রোড, জালালিয়া রোড, মুসলিম বাগ, রামনগরসহ আশপাশের মানুষের কাছে রিপন খুবই পরিচিত।

আশপাশের সবাই রিপনকে খুব ভালবাসেন। পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ দেখে সবাই গর্ব করেন। আশপাশের ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, রিপন খুব ভালো ছেলে। তার কয়েকটি গুণের মধ্যে একটি হলো, পারিবারিক এতো সমস্যার সম্মুখীণ হয়েও তিনি লেখাপড়া বাদ দেননি।

নিজের চেষ্টায় পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন। সবাই তাকে এ বিষয়ে খুব উৎসাহ দেন। যেহেতু নিজ চেষ্টায় এতটা পথ পাড়ি দিয়েছেন রিপন, বাকিটা পথও যেন তিনি ভালোভাবে পাড়ি দিতে পারেন এমনই প্রত্যাশা সবার।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()