এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর। এই এলাকায় যেদিকে চোখ রাখা যায় সেদিকেই বাণিজ্যিক কৃষির অনুশীলন। মুগ্ধ হবার মত ফসলী সৌন্দর্য চারপাশে। বোঝাই যায়, এখানকার কৃষক এখন প্রচলিত কৃষি থেকে অনেকটাই সরে আসছে। অপ্রচলিত ও উচ্চমূল্যের ফল ফসল উৎপাদনে ঝুঁকছে তারা। দিনে দিনে পাল্টে যাচ্ছে গোটা এলাকার কৃষি ও প্রকৃতির দৃশ্যপট। বলতেই হবে কৃষির এই সামগ্রিক পরিবর্তন ও সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে শিক্ষিত তরুণরা।
স্থানীয় তরুণ রফিকুল ইসলাম তেমনি একজন উদ্যোক্তা। তিনি লেখাপড়া শেষ করে প্রথমে কলেজে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। কিন্তু চারদিকে সাফল্যজনক কৃষি উদ্যোগ দেখে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ২০০৯ সালে কুল বাগান করেন। বিপুল সম্ভাবনা দেখে ২০১২ গড়ে তোলেন পেয়ারা বাগান। ২০১৪ সালে ৬৩ বিঘায় সম্প্রসারণ করেন পেয়ারা বাগান। মাত্র ১১ বছরে অবিশ^াস্য সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। সবমিলিয়ে ৮’শ ৪০ বিঘার খামার। তার সমন্বিত খামারে বিশাল বিশাল আকারের পুকুরে মাছ চাষসহ রয়েছে আম, পেয়ারা, মাল্টা এবং ড্রাগনের আবাদ। কিছুদিন আগে প্রচারিহত একটি পর্বে আপনারা দেখেছেন তার বারোমাসি আম বাগানের চিত্র।





মন্তব্য
(০)