সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিষাক্ত পটকা মাছ খেয়ে মো. আজহারুল ইসলাম (৫০) নামে এক মুদি দোকানির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় তাঁর মা, স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়; ছেলের অবস্থার অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড়দল গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে; বড়দল বাজারে তাঁর একটি মুদি দোকান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বাজার থেকে টেপা বা পটকা মাছ কিনে বাড়িতে নিয়ে আসেন আজহারুল। মাছটি রান্না করে পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। প্রতিবেশীরা তাঁদের দ্রুত সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান, সেখানেই আজহারুলের মৃত্যু হয়।
আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পটকা মাছে টেট্রোডোটক্সিন নামের অত্যন্ত মারাত্মক ও প্রাণঘাতী বিষ থাকে, যা মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র অবশ করে দিতে পারে। পটকা মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত সচেতন করা হয় বলেও জানান তিনি।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. কুদরত-ই-খুদা বলেন, বিষাক্ত মাছ খেয়ে চারজন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন; তাঁদের একজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুণ্ডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: সমকাল (সাতক্ষীরা প্রতিনিধি)





মন্তব্য
(০)