সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

প্রাণ-এর আম সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত

দেশের সর্ববৃহৎ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ-এর আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অবস্থিত প্রাণ-এর বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে (বিআইপি) কারখানা পরিদর্শন করে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিসতিওয়াতি।

ফল

দেশের সর্ববৃহৎ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ-এর আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অবস্থিত প্রাণ-এর বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে (বিআইপি) কারখানা পরিদর্শন করে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিসতিওয়াতি।

বাংলাদেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শনের অংশ হিসেবে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অবস্থিত প্রাণ-এর বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক (বিআইপি) পরিদর্শন করেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূতকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে স্বাগত জানান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল এবং কারখানার জেনারেল ম্যানেজার হযরত আলী। এসময় তাকে প্রাণ-এর উৎপাদন ও দেশ-বিদেশে বিপণন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

পরে মিস লিসতিওয়াতি বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বিভিন্ন উৎপাদন প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রাণ-এর আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এবং প্রাণ-এর আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রাণ গ্রুপ ম্যাংগো ড্রিংক, জুস, ম্যাংগো বারসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনের লক্ষ্যে আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চলতি মৌসুমে নাটোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও সাতক্ষীরা জেলা থেকে আম সংগ্রহ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুনমালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের আমের বাজার খুলছেআমের উৎপাদন বৃদ্ধির আশার মধ্যেও রপ্তানি নিয়ে শঙ্কাআমসহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সব বাধা দূর করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

প্রাণ মূলত পাল্প উৎপাদনের জন্য গুটি ও আশ্বিনা জাতের আম সংগ্রহ করে। জুন মাসজুড়ে গুটি আম সংগ্রহ করা হচ্ছে। জুলাই থেকে সংগ্রহ করা হবে আশ্বিনা আম, যা চলবে আমের সরবরাহ থাকা পর্যন্ত। আম থেকে উৎপাদিত পাল্প অ্যাসেপটিক ব্যাগে সংরক্ষণ করে কোল্ড স্টোরেজে রাখা হয়, যা সারা বছর জুস উৎপাদনে ব্যবহার হয়।

চলতি মৌসুমে প্রাণ ১২ হাজার চুক্তিভিত্তিক আমচাষির কাছ থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন আম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। রাজশাহীর পাশাপাশি নাটোরের একডালায় প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানায়ও আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রাণ গ্রুপ।

এ বিষয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, 'ক্রেতাদের জন্য সর্বোত্তম মানের ফ্রুট ড্রিংকস ও জুস নিশ্চিত করতে আমরা কাঁচামালের গুণগত মানের বিষয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ কারণেই আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত অঞ্চলগুলোতে আমাদের সংগ্রহ ও পাল্পিং কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছি। এতে চাষিরা সহজেই তাদের উৎপাদিত আম সরবরাহ করতে পারছেন।'

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংক ও জুসের বাজার প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বাজারটি প্রতি বছর ১০ শতাংশ হারে বাড়ছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()