সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

হারিয়ে যাচ্ছে কৃষির ঐতিহ্য

যুক্তরাজ্যের শর্পশায়ারে দিনের পর দিন হারিয়ে যাচ্ছে পারিবারিক ঐতিহ্য কৃষি কাজ। যাদের পূর্ব পুরুষ কৃষক ছিলেন, তাদের দাদা বা বাবার সময় পর্যন্তই কৃষি কাজের ইতি টানতে হচ্ছে কৃষি পেশায়। কেউ কেউ এই পেশা ধরে আছেন, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এই কাজে আর আগ্রহী নন।

যুক্তরাজ্যের শর্পশায়ারে দিনের পর দিন হারিয়ে যাচ্ছে পারিবারিক ঐতিহ্য কৃষি কাজ। যাদের পূর্ব পুরুষ কৃষক ছিলেন, তাদের দাদা বা বাবার সময় পর্যন্তই কৃষি কাজের ইতি টানতে হচ্ছে কৃষি পেশায়। কেউ কেউ এই পেশা ধরে আছেন, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এই কাজে আর আগ্রহী নন।

জমির মালিক ও কৃষকদের মধ্যে একজন হলেন স্টিফেন। তিনি বলেন, তাদের অনেক জমি এখন দিনের পর দিন পরে আছে। আমি পূর্ব পুরুষের পেশা কৃষি ধরে রাখলেও আমার দুই সন্তানের একজন চিকিৎসক, আরেকজন ইঞ্জিনিয়ার। তারা কৃষি আবাদ করার কথা কল্পনাও করতে পারে না।

উন্নত বিশ্বে ঐতিহ্যবাহী কৃষক পরিবার থেকে কৃষি চলে যাচ্ছে পুরোপুরি ব্যবসায়ীদের হাতে। আর বাংলাদেশে ভূমির মালিকের হাত থেকে কৃষি চলে যাচ্ছে ক্ষেত মজুর আর বর্গা চাষীদের হাতে।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি কৃষি ব্লকে আসলেই দেখা যায়, ৮টি গ্রামের প্রায় শতভাগ আবাদী জমিতে আবাদ করেন বর্গা চাষীরা। তারা কিছু দিন আগেও ছিলেন ক্ষেত মজুর বা কৃষি শ্রমিক।

এদের মধ্যে একজন বর্গাচাষী জানান, আমার নিজের কোনো জমি নেই। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করি আমি। আবার কোনো কোনো বর্গা চাষী বলেন, বছরে বিঘায় ১২ হাজার টাকা করে জমি লীজ নেন তারা।

জমির মালিকরা কেন সব জমি লীজ দিয়ে দেয় তার কারণ জানতে চাইলে বর্গা চাষীরা বলেন, জমির মালিকরা নিজেরা জমিতে এসে কাজ করলে তাদের মান সম্মান যাবে। এই ভয়ে তারা জমি লীজ দিয়ে দেয়।

তবে কৃষি কাজে পুষিয়ে উঠতে পারছেন না বলে জানান ভূমি মালিকরা। মুলাডুলির কৃষি কাজ থেকে সরে আসা ভূমি মালিক আমিনুর রহমান বাবু বলেন, গত দুই বছরে কৃষকরা একদম সর্বসান্ত হয়ে গেছে। আবাদ করতে কৃষকদের যে খরচ হয়, বাজার না থাকার কারণে সেই খরচটা পর্যন্ত আমরা উঠাতে পারিনি।

তবে ১২ হাজার টাকায় ১ বিঘা জমি লীজ নেওয়া একজন কৃষক বলেন, জমির মালিকরা জৈষ্ঠ্য মাসে ধান কাটলে ১ বিঘা থেকে ২০ মণ ধান পায়। যার দাম প্রায় ১০ হাজার টাকা। ওই টাকাটা তারা বিনা খরচে পাচ্ছেন।

পক্ষান্তরে বর্গা চাষীর জন্য কৃষি এখন লাভজনক। তাই তারা হয়ে উঠছেন ভূমি মালিক। প্রথম দিকে কেউ কেউ ১ বিঘা জমি নিয়ে কাজ শুরু করলেও ৫ বছরের ব্যবধানে এখন ১০ বিঘা জমিতে কাজ করে তারা। তাদের কেউ কেউ গত ৫ বছরে ১৫ লাখ টাকা জমিয়েছেন।

এখন সবার মনে প্রশ্ন আসছে কৃষির এই পরিবর্তনের ফলাফল নিয়ে। প্রাথমিকভাবে মাঠ পর্যায়ের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটি হয়ে পড়ছে অভিভাবকহীন।

মুলাডুলির উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা রুমানা পারভীন জানান, জমির ওপর মালিকদের আর তদারকি থাকছে না। আবার যারা লীজ নিচ্ছেন তারা অতিরিক্ত ফসল উৎপাদনের জন্য জমিতে লবণ ব্যবহার করেন।

নীতি নির্ধারকদের আগামী খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি পরিকল্পনায় এই আবর্তনটিকে আমলে নিতে হবে। ভিতরে ভিতরে কৃষির বাণিজ্য ও লাভ ভাগ হযে যাচ্ছে বড়, মাঝারি ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে। এ যেনো এক ধরণের বিকেন্দ্রিকরণ। প্রতিনিয়তই এর প্রসার ঘটছে। এর ফলে গ্রাম বাংলার অর্থনীতি যেমন চাঙ্গ হচ্ছে, গোটা দেশের অর্থনীতিতে আসছে আমূল পরিবর্তন।

শাইখ সিরাজদা এগ্রো নিউজ

বাংলাদেশ

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
ফসল

কৃষি নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের ১৮০ দিন

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি কৃষি। অথচ ন্যায্যমূল্য, মানসম্মত সার-কীটনাশক, সেচ, কৃষিঋণ ও শস্যবীমা পেতে কৃষক দীর্ঘদিন অবহেলিত। কৃষকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।

শাইখ সিরাজ২২ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()
হারিয়ে যাচ্ছে কৃষির ঐতিহ্য | দা এগ্রো নিউজ