ইচ্ছে থাকলে বাড়ির ছাদেও সমাবেশ ঘটানো যায় ফুল-ফল আর পাখ-পাখালির। এর প্রমাণ দেখিয়েছেন রাজধানীর গুলশানের এক দম্পতি। বাসভবনের ছাদটিকে তারা পরিণত করেছেন এক টুকরো কৃষিক্ষেতে।
শখ থেকে ভালো লাগা, তারপর ভালোবাসা। এখন জীবনের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে গেছে ছাদের গাছগুলো। বিষমুক্ত ফল ও সবজি প্রাপ্তি তো আছেই তার চেয়ে বেশি টান সবুজ সবুজ গাছ-গাছালির ভেতর কিছুক্ষণ মিশে থাকার।
গত ২০ বছরে জীবনের এই উপলব্ধি খুঁজে পেয়েছেন গুলশানের জসিমউদ্দিন এবং তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার।
জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমি প্রথম টমেটো চাষ দিয়ে শুরু করলেও পরে লাউ-মিষ্টি কুমড়াও চাষ করেছি। প্রচুর ফলন হয়েছে। এখান থেকে আমি আমার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের সবজি দিয়েছি।’
যেখানেই প্রাণ, সেখানেই কিছু রোগ ও প্রতিষেধকের প্রশ্ন। ছাদের গাছগুলোও আক্রান্ত হয় পোকা আর রোগে।
এসম্পর্কে জেসমিন বলেন, আমার বাড়ির পাশে একটা নার্সারি আছে। সেখানে গেলে ওখান থেকে একটা স্প্রে দিয়ে দেয়। ওটাতেই ঠিক হয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞ-টবের মাটি বদলে ফেলার পরামর্শ দিলেন।
সবুজের এই আয়োজনে যোগ হিসেবে আছে ভীষণ আদুরে কিছু বিদেশী পাখি। তাদের কলতানে মেতে থাকে ছাদের এই কৃষি ক্ষেত।
জসিম উদ্দিন দম্পতির স্বপ্ন ঢাকা শহরের সব ভবনের ছাদ একদিন সেজে উঠবে সবুজ গাছপালা আর ফল ফসলে।
জসিম উদ্দিন বলেন: আমার ইচ্ছে ঢাকা শহরের সব ছাদে যেনো বাগান করা যায় বা গ্রিন ইনারি করা যায়।




মন্তব্য
(০)