সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

পঞ্চগড়ে বিপন্ন প্রজাতির বনরুই উদ্ধার

পঞ্চগড়ের বোদায় বিপন্ন প্রজাতির একটি বনরুই (Pangolin) উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ঝলই শালশিরি ইউনিয়নের কালিয়াগঞ্জ এলাকা থেকে বনরুইটি উদ্ধার করা হয়।

পরিবেশ

পঞ্চগড়ের বোদায় বিপন্ন প্রজাতির একটি বনরুই (Pangolin) উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ঝলই শালশিরি ইউনিয়নের কালিয়াগঞ্জ এলাকা থেকে বনরুইটি উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে প্রাণীটি বন বিভাগের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার রাতে কালিয়াগঞ্জ নজিরতন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কালো রঙের এই অদ্ভুত প্রাণীটিকে দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে তাড়া করেন স্থানীয়রা। প্রাণীটি নিস্তেজ হয়ে পড়লে স্থানীয় প্রাণী বিশেষজ্ঞ ও ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিমের প্রতিষ্ঠাতা সহিদুল ইসলামকে খবর দেওয়া হয়। তিনি এসে প্রাণীটিকে বনরুই বলে শনাক্ত করেন। পরে তিনি বনরুইটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

সহিদুল ইসলাম জানান, কালো রঙের বনরুইটির দৈর্ঘ্য আড়াই ফুট এবং ওজন প্রায় ছয় কেজি। বিপন্ন প্রায় এই প্রাণীটি সাধারণত বিভিন্ন ঝোপ ঝাড়ে মাটির গর্তে বসবাস করে। স্থানীয় লোকজন আগে এমন প্রাণী দেখেননি এবং পঞ্চগড়ে বনরুই ধরা পড়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

বন বিভাগের দেবীগঞ্জ রেঞ্জের বন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল করিম জানান, বিপন্ন প্রাণী বনরুইটি বর্তমানে সুস্থ ও ভালো আছে। এটিকে ঢাকা বন বিভাগে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। সেখান থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সুবিধাজনক স্থানে অবমুক্ত করতে পারেন।

সফিকুল আলম/কেএইচকে/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()