সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় কখন

পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ও লাভজনক ফসল। যা মাত্র ৮-১০ মাসের মধ্যে ফলন দেওয়া শুরু করে। তবে পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বসন্তকাল। তবে বর্ষার শুরুতেও (আষাঢ়-শ্রাবণ বা জুন-জুলাই) চারা লাগানো যায়। তাই আসুন জেনে নিই পেঁপে চারা রোপণের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে।

শাকসবজি

পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ও লাভজনক ফসল। যা মাত্র ৮-১০ মাসের মধ্যে ফলন দেওয়া শুরু করে। তবে পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বসন্তকাল। তবে বর্ষার শুরুতেও (আষাঢ়-শ্রাবণ বা জুন-জুলাই) চারা লাগানো যায়। তাই আসুন জেনে নিই পেঁপে চারা রোপণের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে।

পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপণের পর চারা দ্রুত বাড়ে। ১৫-১০ সেন্টিমিটার আকারের ব্যাগে সমপরিমাণ বালি, মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ দিয়ে ব্যাগের তলায় ২-৩টি ছিদ্র করতে হবে। তারপর নতুন সংগৃহীত বীজ হলে ১টি এবং পুরাতন হলে ২-৩টি বীজ বপন করতে হবে। একটি ব্যাগে একাধিক চারা রাখা উচিত নয়। ২০-২৫ দিন বয়সের চারায় ১-২% ইউরিয়া স্প্রে করলে চারা দ্রুত বাড়ে।

পেঁপে চাষের জন্য উঁচু ও মাঝারি জমি ভালো। উপযুক্ত পরিচর্যার মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের মাটিতেই পেঁপে চাষ করা যায়।

পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বসন্তকাল বা প্রাক-বর্ষা (ফাল্গুন-চৈত্র বা ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল)। এ ছাড়া বর্ষার শুরুতে আষাঢ়-শ্রাবণ বা জুন-জুলাই মাসেও চারা রোপণ করা যায়। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে গোড়ায় যেন পানি না জমে; সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

প্রতি সারিতে ২ মিটার দূরত্বে চারা রোপণ করলে ১ হেক্টর জমিতে আড়াই হাজার গাছের জন্য সাড়ে ৭ হাজার চারা দরকার। নতুন বীজ হলে ১৪০-১৬০ গ্রাম বীজ দিয়ে প্রয়োজনীয় চারা উৎপাদন করা যায়। দেড় থেকে ২ মাস বয়সের চারা রোপণ করা হয়। ২ মিটার দূরে দূরে ৬০-৬০-৬০ সেন্টিমিটার আকারের গর্ত করে রোপণের ১৫ দিন আগে গর্তের মাটিতে সার মেশাতে হবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য দুই সারির মাঝখানে ৫০ সেন্টিমিটার নালা রাখতে হবে।

প্রতি পেঁপে গাছে ইউরিয়া ৪৫০-৫৫০, টিএসপি ৪৫০-৫৫০, এমপি ৪৫০-৫৫০, জিপসাম ২৪৫-২৫০, বোরাক্স ২০-৩০, জিংক সালফেট ১৫-২০ এবং জৈব সার ১২-১৬ গ্রাম সার ব্যবহার করতে হবে।

প্রতি গর্তে ৩টি চারা রোপণ করা যায়। ফুল এলে ১টি স্ত্রী গাছ রেখে বাকি গাছ তুলে ফেলতে হবে। পরাগায়ণের জন্য বাগানে ১০% পুরুষ গাছ রাখা হয়। ফুল থেকে ফল ধরা নিশ্চিত মনে হলে একটি বোঁটায় একটি ফল রেখে বাকিগুলো ছিড়ে ফেলতে হবে। গাছ যাতে ঝড়ে না ভাঙে তার জন্য বাঁশের খুঁটি দিয়ে গাছ বেঁধে দিতে হবে। দুই সারির মাঝখানের নালার মাধ্যমে পানি নিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। নিয়ন্ত্রিত পরাগায়ণের মাধ্যমে জাতের বিশুদ্ধতা বজায় রাখা যায়।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()