সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

পাবনার হাটে এখনো জমেনি বেচাকেনা

পাবনায় এখনো জমে ওঠেনি কোরবানির পশু বেচা-কেনার হাট। হাটগুলো ক্রেতা-বিক্রেতায় ঠাসা থাকলেও কেনা-বেচা হচ্ছে কম। তবে বেচাকেনা যেটুকু হচ্ছে তাতে গরুর মণ প্রতি দর চলছে ৩০-৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, শেষ কয়দিনে বাড়তে পারে বেচাকেনা।

লাইভস্টক

পাবনায় এখনো জমে ওঠেনি কোরবানির পশু বেচা-কেনার হাট। হাটগুলো ক্রেতা-বিক্রেতায় ঠাসা থাকলেও কেনা-বেচা হচ্ছে কম। তবে বেচাকেনা যেটুকু হচ্ছে তাতে গরুর মণ প্রতি দর চলছে ৩০-৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, শেষ কয়দিনে বাড়তে পারে বেচাকেনা।

পাবনার পুষ্পপাড়া কোরাবানির হাট ঘুরে দেখা যায়, কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যাপক হারে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া এসেছে হাটে। তবে সবচেয়ে বেশি এসেছে গরু ও খাসি।

গরুর হাট ঘুরে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে বড় নসিমন ও পিকআপসহ বিভিন্ন গাড়িতে করে ষাঁড় এনেছেন বিক্রেতারা। তীব্র গরমে সকাল থেকে ষাঁড় নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও তেমন বেচা বিক্রি নেই।

বিক্রেতাদের দাবি, শুধু পুষ্পপাড়ার হাটে নয়, গত কয়েকদিনে পাবনার বিভিন্ন হাট গরুতে ভরে গেলেও বেচাবিক্রি তেমন নেই। ক্রেতারা এসে ঘুরছেন বেশি। বিশেষ করে কোরবানির উদ্দেশ্যে যারা পশু ক্রয় করবেন তারা রাখা ও পোষার ঝামেলা এড়াতে এখনই পশু কিনছেন না। আর বিগত সময়ের তুলনায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জ বা বাইরের ব্যাপারীদের সমাগমও তুলনামূলক কম।

এদিকে বেচাবিক্রি অনুযায়ী ৪ মণের কম ওজনের ষাঁড় মণ প্রতি দর মিলছে ৩২-৩৫ হাজার টাকার মতো। আর এরচেয়ে বড় সাইজের গরুগুলোর বাজার চলছে ৩০ হাজারের মধ্যে।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন, ৩০ হাজারের মধ্যে দর থাকলে ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা হলেও ষাঁড় কেনায় খুব বেশি অসুবিধা হবে না। তবে এর বেশি হলে কিছুটা অসুবিধা হবে তাদের।

ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, ৪ মণ মাংস হবে এমন গরু ১ লাখ ৩৫ হাজারে কিনেছি। বিক্রির আগ পর্যন্ত খরচ পড়বে ৫ হাজার৷ দেড়লাখের নিচে বিক্রি করলে লাভ থাকবে না৷ যদিও এখনো তেমন কেনাকাটা শুরু হয়নি। তবুও কোরবানির জন্য ছোট ও দেশি গরু মণপ্রতি দর ৪০ হাজারের কাছাকাছি পড়ে যাবে। আর বড় ও সংকর জাতেরগুলোতে ৩২-৩৫ হাজার পড়বে।

ব্যবসায়ী সকিরুদ্দিন বলেন, কয়েকদিন ধরে বড় গরুর বাজার নরম। ৮ মণ ওজনের তিনটা গরু এনেছি। ২ লাখের বেশি দাম উঠছে না। ঢাকা বা বাইরের পার্টি কম আসছে বলে বেচাকেনাও কম।

আরেক গরু ব্যাপারী মো. মোক্তার বলেন, ৩-৬ মণের ৮টি গরু এনেছি। সাড়ে ৫ মণের একটা গরু ১ লাখ ৬৫ হাজারে কেনা। বিক্রি হতে হবে ১ লাখ ৭০-৭৫ হাজারে৷ বাজারের অবস্থা ভালো না। দুদিন আগে তাড়াবাড়িয়া হাটে ৬টা নিয়ে ৩টা ষাঁড় ফেরত এনেছি৷

তিনি বলেন, আজকের বাজার অনুযায়ী ৪ মণের নিচের গরু ৩২-৩৫ হাজার টাকা মণ পড়ে যাচ্ছে। এর বেশি ওজনেরগুলো ৩০ হাজার টাকার মধ্যে। বেচাকেনা বাড়লে দাম আরেকটু বাড়ার কথা। তবে সবশেষ বেচাকেনা কোথায় গিয়ে যে ঠেকবে বুঝতেছি না।

পাবনা শহরের নুরপুর থেকে গরু কিনতে এসেছেন সোহান। তিনি জানান, এতো আগে গরু কিনবো কি কিনবো না, এ নিয়ে ভাবতে ভাবতে ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকায় ষাঁড় কিনে ফেলেছি। সাড়ে ৫ মণের মতো মাংস হতে পারে। এখন একে রাখা নিয়ে চিন্তা।

৮ মণ হিসেবে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় কোরবানির উদ্দেশ্যে একটি কালো ষাঁড় কিনেছেন পাবনা শহরের বাসিন্দা আব্দুল মতিন খান। সে হিসাবে মণ প্রতি প্রায় ৩৪ হাজার টাকার ওপরে দর দাঁড়িয়েছে। হাসিল ও কোরবানির আগ অবধি খাওয়া দাওয়া ও ব্যবস্থাপনায় খরচ রয়েছে আরও। তবে দাম নিয়ে চিন্তিত নন তিনি।

তিনি বলেন, কোরবানির জিনিস টাকার হিসাবে হয় না। দেখতে শুনতে ভালো লেগেছে। ফলে দাম বেশি হলেও কিনে ফেলেছি।

আতাইকুলা থানার কইজুড়ি শ্রীপুর থেকে গরু বিক্রি করতে আসা রেজাউল প্রামাণিক বলেন, আজকের বাজারে ৫ মণের ওপরের গরু ৩০-৩২ হাজার টাকা। ছোটগরু ৩৫ হাজার টাকা পড়ে যাচ্ছে। ৯ মণের ওপরে ওজন হবে একটি ষাঁড় বিক্রি করতে এসেছি। দাম হচ্ছে আড়াই লাখের মধ্যে। সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮০ হাজারের উঠতে পারে। এর বেশি হবে বলে মনে হয় না। হাটে ক্রেতাইতো নাই।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭২টি পশুর চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে ৩৩ হাজার ৪০টি খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি। এরমধ্যে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৫টি গরু ও ৩ লাখ ৭৯ হাজার ১৭৭টি ছাগল রয়েছে। সবমিলিয়ে চাহিদার দ্বিগুণ থাকা উদ্বৃত্ত পশু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হবে বলছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, জেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী ২৫টি হাটে ষাড়সহ কোরবানির বিভিন্ন পশু ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। শুরুতে বেচাকেনায় গতি কম থাকলেও এখন গতি বাড়তে শুরু করেছে। হাটগুলোতে অতিরিক্ত হাসিল আদায় যেন আদায় না করা হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। এবার খামারিরা লাভবান হবেন বলে আমরা আশা করছি।

পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, পাবনাবাসীর কোরবানির ঈদ নির্বিঘ্নে করার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জাল নোট চিহ্নিত করতে মেশিন স্থাপন, হাট এবং মহাসড়কে পুলিশ টহল বাড়ানো, হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায় বন্ধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে কী হয়?

ডিম আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকা সহজলভ্য ও পুষ্টিকর একটি খাবার। সকালের নাশতা থেকে শুরু করে দুপুর বা রাতের খাবাররে বিভিন্নভাবেই ডিম খাওয়া হয়।

জাগো নিউজ ২৪১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()