সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

ওজন কমানোর যাত্রায় লটকন হতে পারে আপনার সঙ্গী

বর্তমান সময়ে অতিরিক্ত ওজন একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, ফাস্টফুড, কম শারীরিক পরিশ্রম ও মানসিক চাপ-সব মিলিয়ে অনেকেই বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তায় থাকেন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে এখন অনেকেই স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। এই তালিকায় মৌসুমি দেশীয় ফল লটকনও থাকতে পারে একট

ফল

বর্তমান সময়ে অতিরিক্ত ওজন একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, ফাস্টফুড, কম শারীরিক পরিশ্রম ও মানসিক চাপ-সব মিলিয়ে অনেকেই বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তায় থাকেন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে এখন অনেকেই স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। এই তালিকায় মৌসুমি দেশীয় ফল লটকনও থাকতে পারে একটি ভালো বিকল্প।

টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি শুধু রসনাতৃপ্তিই দেয় না, বরং এতে রয়েছে কম ক্যালোরি, খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চার সঙ্গে লটকন যোগ করলে ওজন নিয়ন্ত্রণের যাত্রা আরও সহজ হতে পারে।

লটকন সরাসরি ‌'ম্যাজিক' করে ওজন কমিয়ে দেয়-এমন দাবি সঠিক নয়। তবে এতে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ। লটকনে তুলনামূলক কম ক্যালোরি রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে প্রায় ৪৩ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের ঝুঁকি কম থাকে।যারা ডায়েট মেনে চলছেন, তারা উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত মিষ্টি বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে লটকনের মতো ফল বেছে নিতে পারেন।

লটকনে রয়েছে খাদ্যআঁশ বা ডায়েটারি ফাইবার। ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়। ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যেতে পারে। ওজন কমানোর ডায়েটে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে ফাইবারসমৃদ্ধ ফল উপকারী হতে পারে।

সুস্থ হজম প্রক্রিয়া ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লটকনে থাকা ফাইবার অন্ত্রের কার্যক্রম সচল রাখতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করতে পারে।

অনেক সময় ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ হয় অতিরিক্ত মিষ্টি বা জাঙ্কফুড খাওয়া। লটকনের প্রাকৃতিক টক-মিষ্টি স্বাদ কৃত্রিম মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে কোমল পানীয় বা উচ্চ চিনি-যুক্ত খাবারের বদলে এটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।

ওজন কমানোর সময় অনেকেই দুর্বলতা বা ক্লান্তি অনুভব করেন। লটকনে থাকা ভিটামিন সি ও খনিজ উপাদান শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ডায়েটিংয়ের সময় শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য ঠিক রাখা জরুরি। লটকনে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে স্বাস্থ্যকর ডায়েট পরিকল্পনায় এই ফলটি যুক্ত করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধুমাত্র একটি খাবার খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম এবং ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ-সবকিছু একসঙ্গে কাজ করে। অনলাইন আলোচনাতেও অনেকেই ক্যালোরি ঘাটতি, নিয়মিত হাঁটা ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারের গুরুত্বের কথা বলেছেন।

অনেকে মনে করেন শুধু ফল খেলেই দ্রুত ওজন কমে যাবে। বাস্তবে ওজন নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাঁটা, হালকা ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাদ্য-এসব বিষয় একসঙ্গে অনুসরণ করতে হয়।

দেশীয় মৌসুমি ফল হিসেবে লটকন শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যকরও। এতে থাকা কম ক্যালোরি, ফাইবার ও ভিটামিন ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি কোনো অলৌকিক ওজন কমানোর উপায় নয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও পরিমিত জীবনযাপনের সঙ্গে লটকন যোগ করলে ওজন কমানোর যাত্রা আরও স্বাস্থ্যকর ও উপভোগ্য হতে পারে।

তথ্যসূত্র: পিনপয়েন্টম্যাক্স

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()